প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৯:২৮ পিএম
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৯:৩৩ পিএম
প্রবা ফটো
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন হলে যে সংকট তৈরি হতে পারে তা সমাধানে এখন থেকেই কাজ করে গেলে বাংলাদেশ বেশ ভালো করবে।
বৃহস্পতিবার ( ২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘বেসরকারি খাতের দৃষ্টিতে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (২০২২ সালের জুলাই-ডিসেম্বর) বাংলাদেশের অর্থনীতির সামগ্রিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারে এ মন্তব্য করেন বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ। তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে যে জিনিসটা করা দরকার সেটা হলো আমাদের অনেক জায়গায় হয়তো কিছু পরিবর্তন করতে হবে। রিফর্ম করতে হবে, যেখানে অনেক হোমওয়ার্ক করতে হবে। সেটা যদি আমরা করতে পারি তাহলে স্মুথ ট্রানজেকশন সম্ভব।’
তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালের পর রপ্তানি ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ। এ অবস্থায় ওই সময়ে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে ব্যবসায়ীদের এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। ব্যবসায়ীদের এখন থেকে প্রস্তুতি নিয়ে নিজস্ব পায়ে দাঁড়িয়ে ব্যবসা করতে হবে। বিশ্বে অন্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে তাকে রপ্তানি করতে হবে।’
সেমিনারে সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান বলেন, ‘বর্তমানে মূল্যস্ফীতির চাপ পড়ছে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর ওপর। মূল্যস্ফীতির চাপ সহ্য করতে পারছে না স্বল্প আয়ের মানুষ। এক্ষেত্রে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কাজ করতে হবে। এলসি সমস্যা দূর করে পণ্য আমদানি এবং বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ছে। এই খেলাপি ঋণ কমাতে হবে। একই সঙ্গে অর্থ পাচার বন্ধে হুন্ডির দৌরাত্ম্য কমিয়ে আনতে হবে।’
এ সময় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘খেলাপি ঋণ যদি কমাতেই হয় তবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছাড়া খেলাপি ঋণ কমানো সম্ভব নয়। শুরু থেকেই ব্যবস্থা নিলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ এতটা বৃদ্ধি পেত না।’
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ডিসিসিআই সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সামীর সাত্তার। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহসিনা ইয়াসমিন। এ ছাড়া পিএইচপি ফ্যামিলির পরিচালক (ফিন্যান্স ও অ্যাডমিন) মোহাম্মদ আলী হোসেন অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।