প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২১:১৮ পিএম
আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২১:৪৩ পিএম
প্রবা ফটো
ব্যাংকের ঋণবিষয়ক বিভিন্ন তথ্য প্রতি মাসেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানোর বিধান রয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী সেই কাজটি দীর্ঘদিন থেকে করে আসছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। তবে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর সংখ্যা পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে ব্যক্তি চিহ্নিত করতে বেশ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
যেমন ১৭ সংখ্যার জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ১১ সংখ্যার জাতীয় পরিচয়পত্রের (স্মার্ট কার্ড) ব্যক্তিকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না, কিন্তু ব্যক্তি একজনই। তাই সিস্টেম পরিবর্তন করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সিআইবি ডিপার্টমেন্টের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্ট ও সিআইবি ডিপার্টমেন্টের মধ্যে একটি বৈঠকের আলোচনায় এসব বিষয় উঠে এসেছে।
সূত্র জানায়, সিআইবিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণবিষয়ক সব ধরনের তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এতে সর্বনিম্ন এক টাকা থেকে সর্বোচ্চ যেকোনো অঙ্কের ঋণের তথ্য রয়েছে। এর পাশাপাশি ঋণের জামানতের তথ্য সংযোজন করা হয়েছে। এসব তথ্য কেবল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্ধারিত কিছু কর্মকতা দেখতে পারেন। এর বাইরে অন্য কেউ দেখতে পারেন না। প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সিআইবি রয়েছে। এতে কর্মরতদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি পাসওয়ার্ড দেয়। এটি দিয়ে সিআইবি সার্ভারে অনলাইনে প্রবেশ করতে হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ছাড়া সিআইবিতে অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারে না। বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডারে এমন বিধানই রয়েছে। কেননা, ঋণবিষয়ক গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার বিধান ব্যাংকার্স বুকস এভিডেন্স আইনেও রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৬ জানুয়ারি ২০২২-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতি মাসের ব্যাচ কন্ট্রিবিউশন পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে বিআইবি অনলাইন সিস্টেমে আপলোড করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।