প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৯:৪৪ পিএম
আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২১:১১ পিএম
প্রবা ফটো
বাণিজ্যিক ও সৃজনশীল মৌলিক শিল্পসত্তার যথাযথ মূল্যায়নে দেশে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নিশ্চিতের বিকল্প নেই। এ বিষয়ে উদ্যোক্তা, শিল্পী, নীতিনির্ধারকসহ সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি রাইটস বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রথম সভায় এসব কথা আলোচনা করেন ব্যবসায়ী নেতারা। সভায় আলোচকরা বলেন, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরিত সুপারিশগুলো আমলে নিয়ে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি এমএ মোমেন বলেন, ‘ডিজিটাল অর্থনীতি গড়া প্রধানমন্ত্রীসহ আমাদের সবার স্বপ্ন। এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকারকে অবশ্যই মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে কাজ করতে হবে।’
এফবিসিসিআইয়ের স্ট্যান্ডিং কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত সরকার বলেন, বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের যাত্রায় ক্রমাগত এগিয়ে চলেছে। উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্যকে কমপ্লায়েন্স করতে মেধস্বত্ব সুরক্ষা আইনকে আরও যুগোপযোগী করতে হবে। এ সময় বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যের ব্র্যান্ডিং বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
সভায় সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় কাজ করা প্রয়োজন বলে জানান এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী। তিনি বলেন, বিশ্বমানের পণ্য এখন বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে। সুতরাং পণ্য তৈরির সঙ্গে সঙ্গে এর অধিকারও সংরক্ষণ করা জরুরি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান এবং ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইপিএবি) মহাসচিব মো. আজিজুর রহমান। তিনি বলেন, মেধাস্বত্ব সুরক্ষার অভাবে স্বাস্থ্য এবং অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিদেশি কোম্পানিগুলোও অনেক সময় ব্র্যান্ড চুরির ভয়ে এদেশে ব্যবসা করতে নিরুৎসাহিত হয়। এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নিয়ে কাজ করতেই হবে।