প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২২ ১৬:৪৪ পিএম
আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২২ ১৯:১২ পিএম
ফাইল ছবি
এ মুহূর্তে চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছে বাংলাদেশ। এ অবস্থায় ব্যাংকঋণের সুদহারের সর্বোচ্চ সীমা তুলে দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ সুদহারে এক অঙ্কের (৯ শতাংশ) নির্দেশনা তুলে দিলে বেসরকারিখাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিঘ্নিত হবে সরবরাহ। তাই লেন্ডিং ক্যাপ উঠানোর বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত আসবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।
শনিবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট-বিআইবিএম আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
গভর্নর বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরেই আমি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনা জানার চেষ্টা করেছি। এখন যে সমস্যা দেশে বিরাজ করছে এটি বেশিদিন থাকবে না। সর্বোচ্চ দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
অনুষ্ঠানের অপর এক পর্বে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, 'খেলাপি ঋণের কারণে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আর্থিক খাত। ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তা না হলে ব্যাংক খাত আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।'
বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুন শেষে ব্যাংকখাতের মোট বিতরণ করা ঋণের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপিতে পরিণত হয়েছে এক লাখ ২৫ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
এদিকে, ২০২০ সালের ১ এপ্রিল থেকে একমাত্র ক্রেডিট কার্ড ছাড়া সব ধরনের ঋণ ও বিনিয়োগের ওপর সর্বোচ্চ সুদের হার হবে ৯ শতাংশ। ব্যাংকগুলো প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে এর চেয়ে কম সুদও নির্ধারণ করতে পারবে। তবে কোনোক্রমেই ৯ শতাংশের বেশি সুদ নেওয়া যাবে না। নিয়মিত ঋণ বা বিনিয়োগের বিপরীতে অতিরিক্ত কোনো মুনাফা বা দণ্ডসুদও আরোপ করা যাবে না।
প্রবা/ইউরি/জেআই