× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে বৈঠক

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৮:৪৫ পিএম

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৯:১২ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পর্যটন খাত। চীন কঠোর শূন্য কোভিড নীতি থেকে সরে আসায় এ অঞ্চলের পর্যটন শিল্পে বইতে শুরু করেছে সুবাতাস। এরই ধারাবাহিকতায় গত রবিবার ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় বসেছিল এশিয়ান ট্যুরিজম ফোরামের বৈঠক। আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় পর্যটন শিল্পের ঘুরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে বলে উল্লেখ করেছেন বৈঠকে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের পর্যটনমন্ত্রীরা। এ ছাড়াও চীনের সঙ্গে এ অঞ্চলের দেশগুলোর ব্যবসায়িক কার্যক্রম বাড়ার সম্ভাবনায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তারা। 

চায়না ডেইলির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দর্শনার্থী ফেরাতে উন্মুখ হয়ে আছে ইন্দোনেশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশ। গত রবিবার শেষ হওয়া এশিয়ান ট্যুরিজমের বৈঠকে পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেছেন এ অঞ্চলের পর্যটনমন্ত্রীরা। ইন্দোনেশিয়াও পর্যটক টানতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন পূর্ব নুসা টেঙ্গারা প্রদেশের ভাইস গভর্নর জোসেফ এ নায়ে সোই। 

তিনি বলেন, ‘মহামারি-পরবর্তী বছরগুলোতে পর্যটক সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটক টানতে প্রাদেশিক সরকার নীতি গ্রহণ করেছ। ঐতিহ্যগত সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ এই অঞ্চলের বিভিন্ন অংশে পর্যটকদের জন্য মানসম্পন্ন আবাসিক হোটেল গড়ে তোলা হবে। আমরা আশা করি এটি আমাদের প্রদেশের জন্যও ভালো ফলাফল নিয়ে আসবে।’ 

এদিকে এ অঞ্চলের সৌন্দর্যের কথা বলতে গিয়ে নায়ে সোই আরও বলেন, ‘আমরা আশা করছি চীন থেকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক আমাদের প্রদেশে আসবে। এখানকার সাঁতার কাটার চমৎকার আয়োজন স্নরকেলিং এবং প্রাণী বিচিত্রের কোমোডো ন্যাশনাল পার্ক বিশ্বের পর্যটকদের মুগ্ধ করবে।’ 

স্থানীয় মিডিয়ায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন এবং সৃজনশীল অর্থনীতিমন্ত্রী সানডিয়াগা উনো বলেন, ‘চলতি বছরে ইন্দোনেশিয়া ২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি চীনা পর্যটককে স্বাগত জানাবে।’ যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনা পর্যটকদের প্রত্যাবর্তন এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় আসিয়ান দেশগুলোতে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। 

করোনার আগে ২০১৯ সালে কমোডো ন্যাশনাল পার্ক এবং আশপাশের স্নরকেলিং এলাকায় চীনা দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ৮০০ এবং ফরাসি দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিল ৯ হাজার ৩০০ বলে জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার প্রাদেশিক পর্যটন বিভাগ। 

এদিকে ইন্দোনেশিয়ার বালি প্রদেশকে পর্যটন শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান উল্লেখ করেছেন আই পুতু উইনাস্ত্রা। ইন্দোনেশিয়ার ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশনের বালি অঞ্চলের চেয়ারম্যান আই পুতু উইনাস্ত্রা বলেন, ‘বালি এবং ইন্দোনেশিয়ার অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রের সঙ্গে আসিয়ান দেশগুলোর পাশাপাশি অন্যান্য দেশ বিশেষ করে চীনের যোগাযোগ সহজ করতে হবে। এসব অঞ্চল থেকে বালিতে সরাসরি নিয়মিত ফ্লাইট চালু করতে হবে।’ 

এ ছাড়াও এশিয়ান ট্যুরিজম ফোরামের বৈঠকে অংশ নেওয়া মন্ত্রীরা পর্যটন শিল্পের প্রসারে দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এদিকে পরিবহন সংযোগের পাশাপাশি অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়াতে আসিয়ান নাগরিকদের জন্য আরও বন্ধুত্বপূর্ণ ভিসা প্রসেসিং নিয়ম চালুর আহ্বান জানান আসিয়ানের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল সতবিন্দর সিং। 

এদিকে করোনা মহামারির আগে বিশ্বব্যাপী ভ্রমণে ২৫ হাজার ৫০০ কোটি ডলার খরচ করেছিল চীনা পর্যটকরা। এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড এবং জাপানসহ পর্যটন হটস্পটগুলোতে সবচেয়ে বেশি বিদেশি পর্যটক আসে চীন থেকে। করোনা-পূর্ব সময়ে ২০১৯ সালে থাইল্যান্ডে এসেছিল ৪ কোটি পর্যটক, যার এক-তৃতীয়াংশই ছিল চীনা। চলতি বছরেও ৫০ লাখ চীনা পর্যটক শ্যামাদেশ ভ্রমণে আসবে বলে আশা করছে থাই সরকার। 

চীনা পর্যটকদের ভ্রমণের তালিকার শীর্ষে রয়েছে থাইল্যান্ড। খুব সহজে থাইল্যান্ডের ভিসা পাওয়া যায় উল্লেখ করে চীনা পর্যটক ইয়োও চেন আরও বলেন, ‘থাইল্যান্ডের পর্যটন শিল্প আরও বিকশিত হয়েছে। এখানকার ভিসা পাওয়া এখন খুবই সহজ। এ ছাড়াও থাই জনগণ খুব অতিথিপরায়ণ। এখানে প্রচুর মজাদার ক্রিয়াকলাপ এবং খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে।’

সূত্র:  চায়না ডেইলি

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা