প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২৩ ২২:৩৫ পিএম
২০২৬ সালের মধ্যে শতভাগ আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক সেবা খাতে লৈঙ্গিক সমতা নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে এনএফআইএসবির লক্ষ্যসমূহ অর্জন এবং ভিশন-২০৪১ অর্জন সম্ভব হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
শনিবার (২১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) অডিটোরিয়ামে ‘জেন্ডার রেস্পন্সিভ ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস’ শীর্ষক এক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ২০২৬ সালের মধ্যে সকল পূর্ণবয়স্ক মানুষকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মধ্যে নিয়ে আসা এবং জাতীয় অন্তর্ভুক্তি কৌশল (এনএফআইএসবি) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিআইবিএম এবং সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিআরডি) উক্ত কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ছিল আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে নারীরা কেন পিছিয়ে তা খুঁজে বের করা, যাতে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হয়। একই সঙ্গে সেবা প্রদানকারীরা আরও বেশি নারীদের সেবাদানের ক্ষেত্রে অধিকতর সহায়ক হবেন।
নারীদের আর্থিক সেবায় অন্তর্ভুক্তি শীর্ষক অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. মো. আখতারুজ্জামান।
তিনি বলেন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে নারীরা অনেক পিছিয়ে আছে। এ অবস্থার পরিবর্তন করতে হলে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন, যা ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানের ব্যাকগ্রাউন্ড নোট উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের অধ্যাপক (সিলেকশন গ্রেড) এবং বিআইবিএম-সিআরডি প্রকল্পের স্টাডি টিম লিডার ড. শাহ্ মো. আহসান হাবীব।
জেন্ডার গ্যাপ ইন ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুসান (জিজিআইএফআই) প্রকল্পের সার-সংক্ষেপ তুলে ধরেন সিআরডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. মোকলেসুর রহমান। বিআইবিএমের অধ্যাপক (সিলেকশন গ্রেড) এবং পরিচালক (ঢাকা স্কুল অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট) মো. নেহাল আহমেদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকার এবং অন্যরা আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতার বিষয়টি তুলে ধরেন। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারলে ২০৩০ সালের এসডিজি লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে।
বিআইবিএমের অধ্যাপক (সিলেকশন গ্রেড) ড. শাহ্ মো. আহসান হাবীব সংলাপ সেশনের সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে ৮০ জন সিনিয়র ব্যাংকার, শিক্ষাবিদ, গবেষক, বিআইবিএমের অনুষদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।