প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২২ ১৭:৪৬ পিএম
আপডেট : ২২ আগস্ট ২০২২ ১৮:০৫ পিএম
দেশের ২ শতাংশ অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে ৯৮ শতাংশ সৎ ব্যবসায়ীর। এফবিসিসিআই এই ২ শতাংশ অসাধু ব্যবসায়ীর দায় নেবে না বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী সংগঠনটির সভাপতি মো. জসীম উদ্দিন।
তিনি বলেছেন, যারা অসাধু উপায়ে ব্যবসা করে তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সেই সঙ্গে অতিমুনাফার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
সোমবার (২২ আগস্ট) 'নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি' শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
সভায় মতামত দেন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, পাইকারি ব্যবসায়ী ও খুচরা ব্যবসায়ীরা। এতে ডিমের বর্ধিত দামের বিষয়ে এক পক্ষ দুষেছেন অপর পক্ষকে। বর্ধিত দামে ডিম বিক্রি হওয়ার দায়ভার নিতে চাননি এই তিন পক্ষের কোনো পক্ষই।
অসাধুভাবে ডিমের দাম বাড়িয়ে যারা অতিরিক্ত মুনাফা করেছে তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্যারাগন পোল্ট্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান।
সভায় ক্যাব প্রকাশিত ভোক্তা কণ্ঠের সম্পাদক আব্দুল হান্নান মিয়া বলেন, 'গেল ১৪ দিনে ডিম ও মুরগি বিক্রি করে ভোক্তাদের পকেট থেকে ৫০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।'
আলোচনায় তুঙ্গে ছিল মধ্যস্বত্বভোগীদের কারসাজি নিয়ে। মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণেই বাজার অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। তবে এই মতবিনিময় সভায় পরিষ্কার হয়ে ওঠেনি প্রকৃতপক্ষে ডিমের দাম নির্ধারণ করে কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন।
প্রবা/রনি/এমজে