প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৩ ১৫:২৩ পিএম
আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০২৩ ১৫:৪৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
জাপানের বাজারে ফ্রোজেন ফুড বা হিমায়িত খাবারের চাহিদা বেড়েছে। দেশটির প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে ফ্রোজেন ফুডের উৎপাদন ও সংরক্ষণ আগের তুলনায় সহজ হয়েছে। জাপানের ফ্রোজেন ফুড অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যানুসারে, কোভিড মহামারির সময়ে লকডাউনে থাকার ফলে জনগণের ফ্রোজেন ফুডের ওপর অভ্যস্ততা ও নির্ভরতা অনেক বেড়েছে।
ফ্রোজেন ফুড রান্নার আগে প্রস্তুতির জন্য কোনো সময় ব্যয় হয় না। ফলে এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সংবাদ সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথমবারের মতো ২০১৭ সালে জাপান হিমায়িত খাবার রপ্তানি করে ৩০ হাজার কোটি ইয়েন আয় করে। ২০২১ সালে দেশটি ফ্রোজেন ফুডের রপ্তানি করে সর্বোচ্চ আয় করে; যার পরিমাণ ৩৯ হাজার ১৯০ কোটি ইয়েন।
কোভিড মহামারির কারণে গ্রাহকের অভাবে মন্দার সম্মুখীন হয়েছিল ফ্রোজেন ফুড বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো। সে সময় তারা মেন্যুর কিছু বিশেষ পদের খাবার হিমায়িত করে বিক্রির চেষ্টা করে। জাপানি, ওয়েস্টার্ন, চায়নিজ, মিষ্টিজাতীয় খাবার বা ডেজার্ট সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। এসবের মধ্যে বিশেষ পদের খাবার কিনতে কখনও কখনও খরচ হয় ১০ হাজার ইয়েনের বেশি। ফ্রোজেন ফুডের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার হলো গিনবুরা গুরমেট। জিনজা শহরের মাত্র চারটি রেস্তোরাঁয় এ খাবার বিক্রি হয়। গিনবুরা গুরমেটের দাম ১ হাজার ৫৮০ ইয়েন। এটি তৈরিতে ব্যবহার করা হয় বাঁধাকপির রোল ও টমেটো সস।