বিশ্লেষণ
আহমেদ তোফায়েল
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আহমেদ তোফায়েল। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
দেশের খাদ্যনিরাপত্তার মূল কেন্দ্র হলো উত্তরবঙ্গ। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের মাঠজুড়ে ফসলের সবুজ সমারোহ দেখা যায়। এই অঞ্চলের কৃষকেরা কেবল নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেন না, বরং সমগ্র দেশের কোটি মানুষের অন্ন জোগান। কিন্তু উত্তরবঙ্গের কৃষকদের দুঃখ দীর্ঘদিনের। তারা প্রতিবছর কষ্ট করে ফসলের বাম্পার ফলন ঘটান। অথচ ফসল তোলার মৌসুমে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন।
হিমাগারের চরম অভাব এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান সমস্যা। পরিবহনের দুর্বলতা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কৃষকদের আরও বেশি সংকটে ফেলে। চলতি মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি প্রশংসনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিন হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃ অর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছে।
বর্তমান উচ্চ সুদের বাজারে মাত্র ৯ শতাংশ সুদে কৃষি উদ্যোক্তা ও কৃষকদের ঋণ দেওয়ার এই উদ্যোগ সময়োপযোগী। এটি গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক নতুন প্রাণের সঞ্চার করতে পারে। তবে যেকোনো ভালো উদ্যোগের সাফল্য নির্ভর করে তার সঠিক বাস্তবায়নের ওপর। এই বিশেষ তহবিলের সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জগুলো গভীরভাবে দেখা প্রয়োজন।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়িয়েছে। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নেওয়া এখন বেশ ব্যয়বহুল। এমন একটি সময়ে দেশের প্রধান খাদ্য উৎপাদনকারী অঞ্চলের জন্য মাত্র ৯ শতাংশ সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটি ইতিবাচক একটি সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে এই তহবিল দিচ্ছে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে। ফলে ব্যাংকগুলোর জন্যও এটি একটি বড় প্রণোদনা।
এই উদ্যোগের একটি বড় কারণ রয়েছে। উত্তরবঙ্গে উৎপাদিত কৃষিপণ্যের ফসল-উত্তর ব্যবস্থাপনায় চরম সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমাদের দেশে প্রতিবছর উৎপাদিত মোট ফসলের একটি বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায়। কেবল সঠিক সংরক্ষণ ও আধুনিক পরিবহনের অভাবে এই অপচয় ঘটে। বিশেষ করে আলু, টমেটো, আম ও বিভিন্ন শাকসবজির ক্ষেত্রে এই অপচয় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে।
বিশেষায়িত হিমাগারের অভাব এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের অনুপস্থিতির কারণে কৃষক বাধ্য হন কম মূল্যে ফসল বিক্রি করতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই তহবিল মূলত সম্পূর্ণ কৃষি মূল্য শৃঙ্খল বা ‘ভ্যালু চেইন’ শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে এসেছে। এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দারিদ্র্য বিমোচনেও দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখবে।
এই বিশেষ তহবিলের সবচেয়ে ভালো দিক হলো এর অর্থ বরাদ্দের সুনির্দিষ্ট বিভাজন। তিন হাজার কোটি টাকাকে কেবল ঢালাওভাবে ঋণ হিসেবে দেওয়া হচ্ছে না। কৃষির প্রকৃত দুর্বলতার জায়গাগুলোকে চিহ্নিত করে এই টাকা ভাগ করা হয়েছে। তহবিলটির ১৫ শতাংশ রাখা হয়েছে সরাসরি কৃষি উৎপাদনের জন্য।
তবে সবচেয়ে বড় অংশ, অর্থাৎ ৩৫ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, পরিবহন ও অবকাঠামো খাতের জন্য। এবং সমপরিমাণ ৩৫ শতাংশ রাখা হয়েছে কৃষিভিত্তিক পণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য। বাকি ১৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে কৃষিপণ্য রপ্তানি খাতের জন্য।
এই বণ্টন প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দূরদর্শিতা পরিষ্কপার হয়। তারা কেবল উৎপাদন বৃদ্ধিতেই আটকে নেই, বরং উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্যিকীকরণ ও শিল্পায়নে জোর দিচ্ছে। উত্তরবঙ্গে টমেটো বা আমের মৌসুমে যখন বাজারে ধস নামে, তখন কৃষকের লোকসান হয়। সেখানে যদি পর্যাপ্ত জুস ফ্যাক্টরি বা প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা থাকত, তবে এই ক্ষতি হতো না।
এই তহবিল সেই প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তদুপরি, অবকাঠামো ও প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে সর্বোচ্চ ৪০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে বড় ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এই অঞ্চলে আধুনিক কোল্ড চেইন লজিস্টিকস এবং বৃহৎ শিল্প স্থাপনে উদ্বুদ্ধ হবেন।
আমাদের ব্যাংকিং খাতের একটি বড় দুর্বলতা রয়েছে। বড় ও প্রভাবশালী গ্রাহকেরা খুব সহজে ঋণ পেয়ে যান। কিন্তু প্রকৃত প্রান্তিক কৃষক বা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ব্যাংকের বারান্দায় ঘুরেও ঋণের দেখা পান না। বিশেষ করে স্থাবর সম্পত্তি বা জমির বন্ধক না থাকায় ক্ষুদ্র চাষিরা ব্যাংকিং সেবার বাইরে থেকে যান।
এই বাস্তবতাকে মাথায় রেখে বাংলাদেশ ব্যাংক এই তহবিলে একটি বৈপ্লবিক নির্দেশনা যুক্ত করেছে। নারী ও প্রান্তিক কৃষকদের অর্থায়ন সহজ করতে স্থাবর সম্পত্তির পরিবর্তে সামাজিক বা দলগত জামানতের ভিত্তিতে ঋণের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। উত্তরবঙ্গের গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীদের অবদান অপরিসীম। বিশেষ করে হাঁস-মুরগি পালন, গবাদিপশু লালন-পালন ও দুগ্ধ উৎপাদনে নারীরা মূল ভূমিকা রাখেন। দলগত জামানতের মাধ্যমে ঋণ পাওয়ার এই সুযোগ যদি মাঠপর্যায়ে সত্যি কার্যকর করা যায়, তবে তা গ্রামীণ ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের স্বাবলম্বী করে তুলবে। এটি গ্রামীণ নারী ক্ষমতায়নে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলার বা নির্দেশনা যতই চমৎকার হোক না কেন, মাঠপর্যায়ে এর প্রয়োগ নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা সব সময়ই থেকে যায়। অতীতেও আমরা দেখেছি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের (এসএমই) জন্য ঘোষিত অনেক বিশেষ তহবিল ব্যাংকগুলো পুরোপুরি বিতরণ করতে পারেনি। অথবা বিতরণ করলেও তা প্রকৃত সুবিধাভোগীদের হাতে পৌঁছায়নি।
এখানে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অনীহা। ব্যাংকগুলো সাধারণত বড় বড় করপোরেট ঋণ দিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। হাজারো ক্ষুদ্র কৃষকের কাছে অল্প অল্প করে ঋণ বিতরণ করা এবং তা তদারকি করা ব্যাংকগুলোর জন্য জটিল প্রক্রিয়া। যদিও এই নির্দেশনায় উপশাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে যোগাযোগের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু গ্রামীণ এলাকার এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটগুলো ঋণ বিতরণে কতটা আন্তরিক হবে, তা দেখার বিষয়।
আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো স্থানীয় প্রভাবশালী ও মধ্যস্বত্বভোগী চক্র। গ্রামীণ পর্যায়ে যেকোনো ঋণ বা সরকারি সুবিধা বণ্টনের ক্ষেত্রে এই চক্রটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। প্রকৃত কৃষক যিনি রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে ফসল ফলান, তিনি অনেক সময় জানতেই পারেন না যে তাঁর জন্য ৯ শতাংশ সুদে ঋণের ব্যবস্থা রয়েছে। অন্যদিকে, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ভুয়া খামারি বা উদ্যোক্তা সেজে এই সহজ শর্তের ঋণ তুলে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক পরিষ্কার করে বলে দিয়েছে যে, এই তহবিলের অর্থ শুধু ‘নতুন ঋণ’ হিসেবে বিতরণ করতে হবে। কোনোভাবেই পুরোনো ঋণ বা খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার জন্য এটি ব্যবহার করা যাবে না। এটি কঠোর ও ভালো নিয়ম। তবে ব্যাংকগুলো অনেক সময় তাদের খেলাপি ঋণের পোর্টফোলিও লুকাতে কৌশলে নতুন ঋণ দেখিয়ে পুরোনো অ্যাকাউন্ট অ্যাডজাস্ট করে।
এই অনিয়ম রোধ করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য একটি বড় পরীক্ষা হবে। এছাড়া ঋণের মেয়াদ ও গ্রেস পিরিয়ড নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। কৃষি উৎপাদন খাতের ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১৮ মাস এবং অন্যান্য খাতের জন্য ৩৬ মাস নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন খাতের জন্য ১৮ মাস ঠিক থাকলেও, একটি কোল্ড স্টোরেজ বা কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তুলে তা থেকে মুনাফা করতে ৩৬ মাস বা ৩ বছর সময় খুবই কম। এই ধরনের ভারী ও দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামোগত বিনিয়োগের জন্য ঋণের মেয়াদ আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল।
তহবিলের ১৫ শতাংশ অর্থ কৃষিপণ্য রপ্তানি খাতের জন্য রাখা হয়েছে। এর সর্বোচ্চ সীমা ১৫ কোটি টাকা। এটি একটি দূরদর্শী সিদ্ধান্ত। উত্তরবঙ্গের আম, আলু, বাঁধাকপি এবং সুগন্ধি চালের আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বাজারে আমাদের কৃষিপণ্য রপ্তানির বড় সুযোগ রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য পাঠাতে হলে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড বজায় রাখতে হয়।
কেবল সস্তায় ঋণ পেলেই রপ্তানি বাড়বে না, যদি না কৃষকেরা উন্নত কৃষি পদ্ধতি অনুসরণ করেন। তাই ঋণের পাশাপাশি যদি উদ্যোক্তাদের কারিগরি সহায়তা এবং পণ্য সার্টিফাইড করার ল্যাবরেটরি সুবিধা না দেওয়া যায়, তবে এই রপ্তানি খাতের বরাদ্দ অব্যবহৃতই থেকে যেতে পারে।
তিন হাজার কোটি টাকার এই বিশেষ তহবিল যেন কেবল আমলাতান্ত্রিক ফাইলের ভেতর বন্দি না থাকে এবং এর প্রতিটি টাকা যেন উত্তরবঙ্গের গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রকৃত অবদান রাখতে পারে, সেজন্য কিছু সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। যেমন-
১. বাংলাদেশ ব্যাংককে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে। কোন ব্যাংক কোন জেলায় কতজন প্রকৃত কৃষক এবং কতজন নতুন সিএমএসএমই উদ্যোক্তাকে ঋণ দিল, তার মাসিক প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। কোনো ব্যাংক যদি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের ঋণ দিতে অনীহা প্রকাশ করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
২. উত্তরবঙ্গের প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে এই ঋণের সুবিধা ও শর্ত সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এবং প্রশাসনের সহায়তায় উঠান বৈঠক বা মাইকিংয়ের মাধ্যমে সামাজিক জামানতে ঋণ পাওয়ার বিষয়টি প্রচার করতে হবে।
৩. কেবল ঋণ দেওয়াই যথেষ্ট নয়, নতুন কৃষি উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। কীভাবে আধুনিক হিমাগার পরিচালনা করতে হয়, কীভাবে ফুড প্রসেসিং বা প্রক্রিয়াজাতকরণে গুণগত মান বজায় রাখতে হয়, সে বিষয়ে বিসিক এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
৪. উত্তরবঙ্গ বন্যা, খরা ও শিলাবৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকা। ঋণের টাকায় ফসল বুনে যদি তা প্রাকৃতিক দুর্যোগে নষ্ট হয়ে যায়, তবে কৃষক ঋণের জালে আটকে পড়বেন। তাই এই বিশেষ ঋণের সাথে একটি সাশ্রয়ী মূল্যের 'কৃষি বীমা' বাধ্যতামূলক করা উচিত, যাতে দুর্যোগের সময়েও কৃষক ও ব্যাংক উভয়ই সুরক্ষিত থাকে।
৫. বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন হাজার কোটি টাকার এই পুনঃ অর্থায়ন তহবিল উত্তরবঙ্গের কৃষি খাতের রূপান্তরের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হতে পারে। এটি কেবল একটি ঋণ কর্মসূচি নয়, বরং এটি উত্তরবঙ্গের কৃষি অর্থনীতিকে শিল্পায়নের দিকে এগিয়ে নেওয়ার একটি সুবর্ণ সুযোগ। ৯ শতাংশ সুদে এই ঋণ যদি প্রকৃত কৃষি উদ্যোক্তা, নারী ও প্রান্তিক চাষিদের হাতে পৌঁছায়, তবে উত্তরবঙ্গ দেশের জন্য কেবল একটি 'খাদ্যভাণ্ডার' হিসেবেই থাকবে না, বরং তা একটি শক্তিশালী 'কৃষি-শিল্প অর্থনৈতিক অঞ্চল' হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
উদ্যোগটি খাতা-কলমে চমৎকার, এখন প্রয়োজন এর সৎ, স্বচ্ছ ও গতিশীল বাস্তবায়ন। আমরা আশা করি, ব্যাংকগুলো তাদের চেনা বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসে আন্তরিকতার সাথে এই ঋণ বিতরণে এগিয়ে আসবে এবং উত্তরবঙ্গের কৃষকের হাত ধরে বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।
আহমেদ তোফায়েল
লেখক: বিজনেস এডিটর, প্রতিদিনের বাংলাদেশ