মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কোলাজ: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
দেশের বিমান পরিবহন খাতকে আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক পর্যায়ে নিয়ে যেতে একগুচ্ছ উচ্চাভিলাষী উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়েছে নতুন বাজেটে। সরকারের লক্ষ্য, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম প্রধান এভিয়েশন হাবে পরিণত করা।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে জানানো হয়েছে, দেশের আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে পর্যটন, বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগকে সমন্বিত করতে একটি ‘জাতীয় এয়ার কানেকটিভিটি গ্রিড’ গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে দ্রুত ও কার্যকর বিমান যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।
বিমান বহরের সক্ষমতা বাড়াতে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে আন্তর্জাতিক রুটে কার্যক্রম সম্প্রসারণে সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনাল শিগগিরই চালুর প্রস্তুতি সম্পন্ন হচ্ছে। নতুন টার্মিনাল চালু হলে যাত্রীসেবা, লাগেজ ব্যবস্থাপনা এবং সামগ্রিক বিমানবন্দর পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি আসবে।
এছাড়া জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বাংলাদেশ বিমানের আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের পাশাপাশি যাত্রীসেবা ও কার্গো ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়নের উদ্যোগও বাজেটে গুরুত্ব পেয়েছে।