প্রব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্ট অ্যান্ড ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম ওয়ারেসুল করিম। ছবি: ফেসবুক
দেশে শিক্ষিত বেকারত্বের ভয়াবহ চিত্র এবং উচ্চশিক্ষার আকাশচুম্বী ব্যয় নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্ট অ্যান্ড ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম ওয়ারেসুল করিম।
তিনি বলেন, “আমাদের নর্থ সাউথ থেকে প্রতি বছর ৬ থেকে ৭ হাজার গ্র্যাজুয়েটকে সার্টিফিকেট দেই। ওরা যদি ওই ২৪-২৫ লক্ষ টাকা তাদের লিভিং এক্সপেরিয়েন্স যদি বাদও দেই, শুধু আমাদের যে টাকাটা দিয়েছে সেটা যদি ব্যাংকে রেখে দিত ৪-৫ বছর, তাহলে তার আর বেতন দরকার হতো না। সে বাড়িতে বসে ব্যাংক থেকে ২৪-২৫ হাজার টাকার পেনশন ২৪ বছর বয়স থেকে আদায় করতে পারত।”
আসন্ন বাজেট নিয়ে সম্প্রতি এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।
অধ্যাপক ড. এ কে এম ওয়ারেসুল করিম বলেন, “আমার মনে হয় এনবিআর প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে ভুল বুঝিয়ে যে বড় ট্যাক্স দিলে এটা নতুন চাকরি সৃষ্টি করবে।”
তিনি বলেন, “কোনোভাবেই এনবিআর আপনাকে সাত লাখ কোটি টাকা তুলে দিতে পারবে না। তারা পাঁচ লাখও তুলতে পারবে না। তারা যা তুলবে আপনি আরো দুই তিন লাখ টাকা ধার করবেন। আট থেকে সাড়ে আট লাখ কোটি টাকার উপরে আপনার বাজেটের প্রয়োজন নেই।”
ওয়ারেসুল করিম বলেন, এভারকেয়ার, কন্টিনেন্টাল (সাবেক ইউনাইটেড), মেডিনোভা ও পপুলার হাসপাতালের বছরের রেভিনিউ এনবিআরও জানে না। ওরা একটা পরিমাণ টাকা চার্জ করে বাকিটা তারা নিজেরা পকেটে নিয়ে যায়।