× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে চিনির দাম

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৪৭ এএম

আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৪৮ এএম

কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে চিনির দাম

খুচরা বাজারে চিনির দামে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে খোলা চিনির কেজি ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, গত সপ্তাহ থেকে তা বেড়ে ১০০ টাকায় উঠেছে। প্যাকেটজাত চিনিও প্রায় একই দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে চিনির বাইরে অন্যান্য নিত্যপণ্যের বাজারে বড় কোনো অস্থিরতা নেই। সবজি, ডাল, ডিম ও মুরগির বাজার গত সপ্তাহের মতোই মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে; কোনো কোনো পণ্যের দাম কমতির দিকে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত বছরজুড়ে চিনির বাজার ছিল তুলনামূলক স্বাভাবিক। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় বড় কোনো ঘাটতি দেখা যায়নি। এখনও বাজারে সরবরাহ সংকট নেই। তবে অল্প কয়েক দিনের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে চিনির ৫০ কেজির বস্তায় ২০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে খুচরা বাজারে।

দেশে পরিশোধিত চিনির দর ২০২৩ সালের শেষদিকে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। পরের বছরের কয়েক মাসও এই উচ্চ দর বজায় ছিল। এরপর ধীরে ধীরে দাম কমতে থাকে। গত বছরের প্রায় পুরো সময়জুড়ে চিনির কেজি ১০০ থেকে ১১০ টাকার মধ্যে ছিল। চলতি বছরের শেষ কয়েক মাসে দর আরও কমে ৯০ টাকায় নেমে আসে। এখন আবার ধীরে ধীরে দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খোলা চিনি প্রতি কেজি ১০০ টাকায় এবং প্যাকেটজাত চিনি ১০০ থেকে ১০৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগেও খোলা চিনি ৯০ টাকার কাছাকাছি এবং প্যাকেট চিনি ১০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছিল। অর্থাৎ কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে।

খিলগাঁও বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান বলেন, এ বছর চিনির বাজার অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল। দাম নেমে ৯০ টাকায়ও বিক্রি হয়েছে। কিন্তু পাঁচ-ছয় দিন ধরে পাইকারি বাজারে বস্তাপ্রতি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বেড়েছে। সে কারণেই খুচরা বাজারে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দাম নিতে হচ্ছে। তিনি আরও জানান, সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও পাইকারি দামের এই বৃদ্ধির কারণে খুচরা বিক্রেতাদেরও বিকল্প নেই। 

এদিকে সবজির বাজারে শীতের মৌসুমের পূর্ণ আমেজ দেখা যাচ্ছে। বাজারে শীতকালীন সব ধরনের সবজি পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে এবং দামও তুলনামূলক নাগালের মধ্যে। মানভেদে শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪৫ টাকায়, যেখানে গত সপ্তাহে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। মুলা ৩০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। বেগুনের দর নেমে এসেছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। মাঝারি আকারের ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে কেনা যাচ্ছে। সরবরাহ বাড়ার কারণে নতুন আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। নতুন আলুর সরবরাহ বাড়ায় পুরোনো আলুর চাহিদা কমে গেছে। ফলে পুরোনো আলুর কেজি নেমে এসেছে ১৫ থেকে ১৬ টাকায়।

ডালের বাজারও স্থিতিশীল। গত সপ্তাহের মতোই আমদানি করা মোটাদানার মসুর ডালের কেজি ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোলার কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকায়। মাত্র দুই সপ্তাহ আগেও ছোলার কেজি ১১০ টাকার কাছাকাছি ছিল। বড় আকারের ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে ১৫ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ গত সপ্তাহের মতোই ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিম ও মুরগির বাজারে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন নেই। খুচরা বাজারে প্রতি ডজন ফার্মের বাদামি রঙের ডিম ১০৫ থেকে ১১০ টাকা এবং সাদা ডিম ১০০ থেকে ১০৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা এবং সোনালি জাতের মুরগির কেজি ২৪০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা