× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

দ্রুত টাকা ফেরত চান পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ২১:৫৬ পিএম

দ্রুত টাকা ফেরত চান পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা

একীভূত হওয়া শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংকের ভুক্তভোগী গ্রাহকরা দীর্ঘদিন ধরে আমানতের টাকা তুলতে না পারায় চরম সংকটে পড়েছেন। ব্যাংকগুলো একীভূত হওয়ার পর গ্রাহকরা ২ লাখ টাকা পর্যন্ত আমানত তুলতে পারবেন বলে জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। কিন্তু অপেক্ষা যেন আর ফুরাচ্ছে না। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত ‘আগ‌ামী সপ্তা‌হের শেষ কোথায়’- এমন প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। 

তারা বলছেন, দিনের পর দিন তা‌দের মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। কারও বাবা অসুস্থ, টাকার অভাবে চি‌কিৎসা কর‌াতে পারছেন ন‌া। ব্যাংকে টাকা রে‌খে তারা কি অপরাধ ক‌রেছেন? এমন প্রশ্ন অনেকের। ফলে গ্রাহকরা দ্রুত আমানত ফেরত চান।’ 

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক চত্বরে আয়োজিত এক অবস্থান কর্মসূচি থেকে এ প্রশ্ন তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে টাকা ফেরত পাওয়ার দাবি জানানোর পাশাপাশি আরও চার দফা দাবি জানিয়েছেন পাঁচ ব্যাংকের ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। আগামী ১২ জানুয়ারির মধ্যে দাবিসমূহ মানা না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

দাবিগুলো হচ্ছে- ২ লাখ টাকা আমানত সুরক্ষা ব্যতীত বাকি আমানতের ফেরতে বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত গে‌জেট প্রকাশ করা; নির্দিষ্ট তারিখের মাধ্যমে ইনস্যুরেন্স আমানত সুরক্ষার ২ লাখ টাকা অবিলম্বে ফেরত দেওয়া; সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সকল হিসাবের আমানতকারীদের মুদারাবাসহ ১০০ ভাগ আমানত ফেরতের নিশ্চয়তা প্রদান এবং সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সকল লেনদেন দ্রুত স্বাভাবিক করা।

অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে গ্রাহকরা জানান, সংশ্লিষ্ট পাঁচটি ব্যাংকের গ্রাহকরা দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে তাদের কষ্টার্জিত আমানতের অর্থ উত্তোলনে ব্যর্থ হচ্ছেন। প্রায় পাঁচ মাস আগে বাংলাদেশ ব্যাংক এসব ব্যাংক একীভূতকরণের ঘোষণা দিলেও আমানত ফেরতের বিষয়ে কার্যকর কোনো অগ্রগতি এখনও দৃশ্যমান নয়।

গ্রাহকদের দাবি, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর একাধিকবার গণমাধ্যমে আমানতকারীদের অর্থ ফেরতের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন নেই। গত দুই মাসে বিভিন্ন সময় ‘চলতি মাসে’, ‘আগামী সপ্তাহে’ বা ‘খুব শিগগিরই’ টাকা পাওয়া যাবে- এমন বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচারিত হলেও ব্যাংক শাখাগুলোতে গেলে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা ইতিবাচক সাড়া মিলছে না।

এক্সিম ব্যাংকের সাভার শাখার ভুক্তভোগী ফ‌রিদা বেগম বলেন, আগ‌ামী সপ্তাহের শেষ কোথায়? আমাদের টাকা ফি‌রি‌য়ে দেন। মুখের কথা আর বিশ্বাস ক‌রি না। টাকা কবে দেওয়া হবে তা গেজেট আকারে প্রকাশ ক‌রুন।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ভুক্তভোগী গ্রাহক ও প্রবা‌সী সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি ১৫ বছর ধ‌রে দেশের বাইরে থা‌কি। ১৫ বছরের কষ্টের জমানো টাকা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক জমা রেখেছি। ‌কিন্তু এখন সেই টাকা দিতে নানা বাহানা শুরু হয়েছে। আমি এত কিছু বু‌ঝি না, আমার টাকা লাগবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা