প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:১৭ পিএম
আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:১৯ পিএম
প্রতীকী ছবি
শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে আনা ফোনগুলো বন্ধে ব্যবস্থা নিতে এনইআইআর সিস্টেম চালুর সময় আরও পিছিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই সিস্টেমটি এখন ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
সোমবার জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিটিআরসি জানায়, আগে থেকে আমদানি করা কিন্তু এখনো বিক্রি না হওয়া বা স্টকে থাকা মোবাইল ফোনের তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। এসব অবিক্রীত বা স্টেবল হ্যান্ডসেটের তথ্য এখন আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জমা দেওয়া যাবে।
এর আগে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার বা এনইআইআর সিস্টেমটি চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর চালু হওয়ার কথা ছিল। পরে সেটি তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। সর্বশেষ সিদ্ধান্তে দেখা যাচ্ছে, সিস্টেমটি আগামী বছরের ১ জানুুয়ারি কার্যকর করা হবে।
বিটিআরসি জানিয়েছে, সময় বাড়ানোর মূল কারণ হলো—আগে আমদানি করা কিন্তু বিক্রি না হওয়া মোবাইল ফোনগুলোকে এনইআইআর সিস্টেমের আওতায় আনা সহজ করা। এতে করে ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার বাড়তি সময় পাবেন।
এর আগে ডিলারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তারা যেন ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে অবিক্রীত হ্যান্ডসেটগুলোর ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি বা আইএমইআই নম্বরসহ সব তথ্য জমা দেন। তবে কমিশন জানায়, অনেক ডিলার এখনো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব তথ্য জমা দিতে পারেননি। সেই কারণেই সময়সীমা আরও বাড়ানো হয়েছে।
বর্তমানে দেশে প্রায় ১৭ কোটি ৪১ লাখ মোবাইল গ্রাহক রয়েছে। চাহিদা মেটাতে প্রতি বছর বিদেশ থেকে প্রায় দেড় কোটি মোবাইল ফোন আমদানি হয়, আর দেশে সংযোজন করা হয় প্রায় দুই কোটি ফোন। অবৈধভাবে আনা ফোনও বাজারে আছে। শৃঙ্খলা ও রাজস্ব নিশ্চিত করতে বিটিআরসি ২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এনইআইআর চালু করে। এতে গ্রাহকের এনআইডি, সিম নম্বর ও ফোনের আইএমইআই একসঙ্গে নিবন্ধন করা হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারও অবৈধ ফোনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে যাচাই শেষে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে। সেই উদ্দেশ্যেই এনইআইআর সিস্টেমটি চালু করা হচ্ছে।