প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৫ ২০:৪০ পিএম
ফাইল ফটো।
সেপ্টেম্বর মাসে দেশের রপ্তানি আয় ৩৬২ কোটি মার্কিন ডলার হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে পাওয়া ৩৮০ কোটি ডলারের তুলনায় ৪.৭৩ শতাংশ কম।
রবিবার (৫ অক্টোবর) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫.৬৪ শতাংশ। এ সময়ে রপ্তানি হয়েছে ১,২৩১ কোটি ডলারের পণ্য, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ১,১৬৫ কোটি ডলার ছিল।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক খাতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। সেপ্টেম্বরে পোশাক রপ্তানি কমেছে ৫.৬৬ শতাংশ। এছাড়া কৃষি পণ্যে ২.৩৭ শতাংশ এবং প্লাস্টিক পণ্যে ৯.১৫ শতাংশ হ্রাস দেখা গেছে।
অন্যদিকে, প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ৩৬.৪৩ শতাংশ, কার্পেট রপ্তানি ২১.৬৭ শতাংশ এবং হিমায়িত মাছের রপ্তানি ১২.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক ধাক্কা তৈরি পোশাক খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বেশিরভাগ ক্রেতা নতুন ক্রয়াদেশ দিচ্ছেন না এবং অতিরিক্ত ২০ শতাংশ রেসিপ্রোক্যাল শুল্ক সরবরাহকারীদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অন্যান্য বাজারেও চীনা ও ভারতীয় প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা বেড়েছে। রপ্তানিকারকদের পক্ষে এই অতিরিক্ত চাপ বহন করা কঠিন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এই ধীরগতি আগামী দুই-তিন মাস অব্যাহত থাকতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা শুল্ক কাঠামোর সঙ্গে মানিয়ে নিলে রপ্তানি আবারও পুনরুদ্ধার হতে পারে।