প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২:২০ পিএম
রাজধানী ঢাকায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) সদর দপ্তরস্থ সেমিনার হলে ‘কমিউনিটি সেড ব্যাংক অ্যান্ড অ্যাডাপটিভ রিসার্চ’ এর উপর বুধবার একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
বিএডিসির পার্টনার প্রকল্পের অর্থায়নে এবং গবেষণা সেলের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা, বিএডিসির বিভিন্ন বিভাগ ও উইং প্রধানসহ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিএডিসির চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) মো. রুহুল আমিন খান বলেন, দেশের সামগ্রিক কৃষি ব্যবস্থাপনায় বিএডিসির ভূমিকা নিঃসন্দেহে অনস্বীকার্য। ম্যান্ডেট অনুযায়ী গবেষণা ক্ষেত্রেও বর্তমানে বিএডিসি জোরালো ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। গবেষণা সেলের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ফসল ও ফলের ৩৯টি জাত অবমুক্ত করা হয়েছে এবং বর্তমানে ১৪টি বিষয়ের উপর গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বিএডিসির চেয়ারম্যান আরও বলেন, বিএডিসির মাধ্যমে ১০টি কমিউনিটি বীজ ব্যাংক চালু করা হয়েছে। কমিউনিটি বীজ ব্যাংকের মাধ্যমে বিলুপ্ত প্রায় স্থানীয় জাতসমূহ পুনরুদ্ধারে বিএডিসি কাজ করে যাচ্ছে এবং ৭০টি স্থানীয় ধানের জাতের পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
কাটারীভোগ, কালিজিরা, তুলসীমালা, রাতাবোরো ও গাইঞ্জা ইত্যাদি জাতের উপর তিনটি বীজ বর্ধন খামারে গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখনো অঞ্চল উপযোগী স্থানীয় ধানের চাষ সীমিত পরিসরে করা হচ্ছে। কমিউনিটি বীজ ব্যাংকের মাধ্যমে গবেষণা কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে স্থানীয় জাত পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি কৃষকরাও এক্ষেত্রে চাষাবাদে অধিক উৎসাহিত হবেন বলে বিএডিসির চেয়ারম্যান মতামত ব্যক্ত করেন।