প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২২ ১৯:৪৮ পিএম
আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ পিএম
ফাইল ছবি
বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে নিয়জিত ২৩৫টি মানি চেঞ্জারকে লাইসেন্স দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু বর্তমানে বৈধ-অবৈধ মানি চেঞ্জারের সংখ্যা ৭৪২টি। সুতরাং বৈধদের তুলনায় অবৈধ মানি চেঞ্জারের সংখ্যা তিন গুণ। তবে অবৈধদের ব্যবসা বন্ধ করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রাথমিক অভিযানে যাদের ভুল-ত্রুটি পাওয়া যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে জরুরিভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আবার প্রয়োজনে সময় নিয়ে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যাংক ও মানি চেঞ্জারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
মুখপাত্র বলেন, দেশের ভেতর ডলার আসার তুলনায় যাচ্ছে বেশি। তাই বিদেশে যাওয়ার সময় ডলার বহনে নিরুৎসাহিত করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চিকিৎসা, শিক্ষা বা ভ্রমণ থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই ডলারের আউটফ্লো বেড়ে গেছে। নানা সীমাবদ্ধতার কারণে সে পরিমাণ ডলার দেশে আসছে না। এ কারণেই খোলা বাজারে ডলারের মূল্য হু হু করে বাড়ছে।
তিনি আরও বলেন, বাজারে ডলার সংকট ও রিজার্ভ কমার অন্যতম কারণ হলো আমদানি বৃদ্ধি। আমদানির তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি অনেক বেশি। তাই আমদানি-রপ্তানির মধ্যে শূন্যস্থান পূরণ করতে হলে রপ্তানি বৃদ্ধির বিকল্প নেই। বাজার স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ করে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এটা অব্যাহত থাকবে। তবে রেমিট্যান্স বৃদ্ধির দিকেও নজর দিতে হবে।
/এসআর/