× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নতুন পদোন্নতি নীতিমালায় বৈষম্যের অভিযোগ

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৫ ২১:২৫ পিএম

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নতুন পদোন্নতি নীতিমালায় বৈষম্যের অভিযোগ

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংক—সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাহী এবং কর্মকর্তারা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ কর্তৃক প্রণীত নতুন পদোন্নতি নীতিমালাকে (খসড়া) ‘বৈষম্যমূলক’ এবং ‘অমানবিক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে যে খসড়া নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিন ধরে সেবাদানকারী হাজারো কর্মকর্তা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হবেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

ব্যাংকাররা বলেন, সম্প্রতি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে আমাদের জন্য নতুন একটি পদোন্নতি নীতিমালা (খসড়া) তৈরি করা হয়েছে, যা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এই নীতিমালা কার্যকর হলে আমরা চরম বৈষম্যের স্বীকার হব।

তাদের ভাষ্য, আগের পদোন্নতি নীতিমালায় সমগ্র চাকরিজীবনের ভিত্তিতে যেকোন গ্রেডে শাখা প্রতিষ্ঠানে কাজ করার জন্য প্রতি বছর ০.৪০ নম্বর এবং নিয়ন্ত্রণকারী কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রতি বছর ০.৩০ নম্বর বিবেচনায় সর্বোচ্চ পাঁচ বছরে ২ নম্বর পর্যন্ত পাওয়া যেত। একইভাবে, শাখা ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রতি বছর ০.২০ নম্বর হারে সর্বোচ্চ ১ নম্বর প্রাপ্তির বিধান ছিল। কিন্তু নতুন নীতিমালায় শুধু ‘ফিডার পদে’ কর্মরত অবস্থায় শাখার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রতি বছরে ০.৮০ এবং নিয়ন্ত্রণকারী কার্যালয়ে প্রতি বছরে ০.৬০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতিকে ‘সংকীর্ণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ উল্লেখ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলেন, এটি আগের নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিশেষ করে সমগ্র চাকরিজীবনে ব্যবস্থাপক হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকলেও নতুন নীতিমালায় শুধু ফিডার পদে ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাকেই বিবেচনায় আনা হয়েছে, যা বাস্তবে প্রযোজ্য নয়। কারণ ৯০০ থেকে ১২০০ শাখার বিপরীতে ১০ থেকে ১২ হাজার কর্মকর্তার সবাইকে ফিডার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া অসম্ভব।

তারা বলেন, সমগ্র চাকরিজীবনে একবার ৫ অথবা ৭ বছর ব্যবস্থাপক হিসাবে দায়িত্ব পালন করলে সেটাকে সকল পদে পদোন্নতি পদে গণনা করা উচিৎ। এক্ষেত্রে ফিডার পদে ব্যবস্থাপক হিসাবে দায়িত্ব পালনের কোন যৌক্তিকতা নেই। বর্তমান নীতিমালা চালু হলে যারা চাকরি শেষ পর্যায়ে আছে তারা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হবেন এবং জুনিয়রদের অধীনে চাকরি করতে হবে। নতুন নীতিমালা বাস্তবায়ন হলে দীর্ঘ ২৫/২৬ বছর চাকরি করার পর শাখা পর্যায়ে গিয়ে ব্যবস্থাপক হিসাবে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে; যা খুবই কষ্টকর এবং অমানবিক।

তারা আরও বলেন, আমাদের অনেকের ১০-১৫ বছর ব্যবস্থাপক হিসাবে অভিজ্ঞতা আছে।  একটি অথবা দুইটি বিশেষ ব্যাচকে অধিকতর সুবিধা দেওয়ার জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কিছু কর্মকর্তা মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তাদের রুখতে হবে। কারণ আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন করেছি। এ ধরনের বৈষম্য কাম্য নয়। আমরা বৈষম্যমূলক এ নীতিমালার বাতিল দাবি করছি। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা