× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মুনাফা বেশি এফডিআরে, বেশি জনপ্রিয় ডিপিএস

আহমেদ ফেরদাউস খান

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৫ ১৫:৪৬ পিএম

মুনাফা বেশি এফডিআরে, বেশি জনপ্রিয় ডিপিএস

ফিক্সড ডিপোজিট রিসিপ্ট-এফডিরের তুলনায় ডিপোজিট প্লাস স্কিম-ডিপিএসে সুদের হার কম। এককালীন জমা দেওয়ায় সুদের হার বেশি। তাই লাভও বেশি। অন্যদিকে মাসিক কিস্তিতে জমা করা হয় বলে সুদের হার কম ডিপিএসে। লাভ কম হলেও মাসিক কিস্তিতে জমা করা যায় বলে সাধারণ মানুষের আগ্রহ বেশি ডিপিএসে। ২০২৪ সালে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্সের এক জরিপের তথ্যও তাই বলছে। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৫৩ শতাংশ মানুষ সঞ্চয়ের জন্য ডিপোজিট পেনশন স্কিম বা ডিপিএস করতে বেশি পছন্দ করেন। আর এফডিআর রয়েছে চতুর্থ নম্বরে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকে এফডিআর রাখতে হলে এককালীন অর্থ দরকার হয়, যা দেশের খুব কম মানুষেরই আছে। মাসিক কিস্তিতে নিজেদের খরচ থেকে টাকা বাঁচিয়ে ব্যাংকে অর্থ জমা করা সহজ। তাই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য ডিপিএসই খুব জনপ্রিয়।  

ওই জরিপে দাবি করা হয়েছে, জরিপে ৩৯ দশমিক আট শতাংশ ভোটে ডিপিএসের পরের অবস্থানে আছে সম্পত্তি কেনা। ৩১ দশমিক ৯৬ শতাংশ ভোট নিয়ে বন্ড আছে তৃতীয় ও ৩১ দশমিক ৮১ শতাংশ ভোট নিয়ে ফিক্সড ডিপোজিট আছে চতুর্থ অবস্থানে। পুঁজিবাজার ও স্টার্টআপ যথাক্রমে সাত দশমিক ৭৬ শতাংশ ও দুই দশমিক ৯৫ শতাংশ ভোট পেয়ে ষষ্ঠ ও সপ্তম অবস্থানে আছে। দেশের প্রধান শহরগুলো থেকে জরিপে অংশ নেওয়া এক হাজার ২৮০ জন ভবিষ্যতের জন্য পঞ্চম সেরা সঞ্চয় মাধ্যম হিসেবে বিমা করাকে বেছে নিয়েছেন।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারপারসন নুরুল কবিরের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড হিউম্যান রিসোর্সেস বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক কাজী তাফসিরুল ইসলাম ও তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক নাজলি সিদ্দিকীর সমন্বয়ে তিনজনের দল এই জরিপ করে। কাজী তাফসিরুল ইসলামের মতে, সঞ্চয়ের মাধ্যম হিসেবে ডিপিএস থেকে বেশি আয়ের সম্ভাবনা ও প্রয়োজন মতো এটি ভাঙানো যায় বলে এটি বেশি আকর্ষণীয়। ডিপিএস অন্যান্য প্রচলিত সঞ্চয় মাধ্যমের তুলনায় অনেক বেশি সুদ দেওয়ায় এ থেকে বেশি টাকা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। ডিপিএসের মাধ্যমে সাধারণত বেশি টাকা আসে। অন্যান্য সঞ্চয় মাধ্যমের তুলনায় সঞ্চয়কারীরা এটি সহজেই ভাঙাতে পারেন। সহজে ডিপিএস ভাঙানোর সুযোগ একে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। জরিমানা ছাড়াই স্কিমটি বন্ধ করে দেওয়া যায়।

ডিপিএসÑ প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রাখার নাম হলো ডিপোজিট পেনশন স্কিম বা মাসিক সঞ্চয় প্রকল্প। আর এফডিআর হলো- সর্বনিম্ন তিন মাস থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময়ের জন্য ব্যাংকগুলোতে এককালীন সঞ্চয় করাকে ফিক্সড ডিপোজিট বা এফডি বলে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে দেশের বিদ্যমান ৬১টি ব্যাংকের সুদের হার ভিন্ন ভিন্ন দেখা গেছে। এফডিআরে বিভিন্ন মেয়াদে ৩ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে ব্যাংকগুলো। রাষ্ট্রমালিকানাধীন ও বিশেষায়িত মিলে দেশের ৯টি ব্যাংকে এফডিআরে বিভিন্ন মেয়াদে ৩ থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১০ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে। আর সাধারণ ডিপোজিটে সুদের হার ৩ থেকে সাড়ে ৪ শতাংশ পর্যন্ত।

ভোগ কমিয়ে সঞ্চয়ে ঝুঁকছে মানুষ

বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ভোগ কমিয়ে সঞ্চয়ের দিকে ঝুঁকছেন দেশের মানুষ। মূল্যস্ফীতি, বৈশ্বিক মন্দার শঙ্কা ও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আয় থেকে বাড়তি অংশ সঞ্চয়ে রাখার প্রবণতা বেড়েছে। টানা ১০ মাস ব্যাংকের বাইরে থাকা টাকার পরিমাণ বাড়তে থাকার পর ধীরগতিতে হলেও গত চার মাস ধরে ব্যাংকে ফিরতে শুরু করছে। জানুয়ারি মাসে ব্যাংক আমানতের প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি ছাড়িয়েছে ৮ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে ৮ শতাংশের কম হলেও অন্য সময়ের থেকে বেড়েছে আমানত। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে আমানতের প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। পরের মাস ফেব্রুয়ারিতে ৮ শতাংশের নিচে থাকলেও আগের যেকোনো সময়ের থেকে আমানতের প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখো গেছে, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি শেষে মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ ৯২ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা। আগের বছর ২০২৪ সালের একই মাসে ছিল মোট ১৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা। আর জানুয়ারি শেষে মোট আমানত ছিল ১৭ লাখ ৮১ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাংক খাতে আমানতে প্রবৃদ্ধি কমতে থাকে, যা ওই মাসে ৭ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমে যায়। অক্টোবরে তা সামান্য বেড়ে হয় ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। নভেম্বরে আরও কিছুটা বেড়ে হয় ৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং ডিসেম্বরে তা দাঁড়ায় ৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এর আগে ব্যাংক খাত আমানতে এত কম প্রবৃদ্ধি দেখেছিল ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, সেবার ৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।

ব্যাংকাররা বলছেন, মূল্যস্ফীতির চাপে রয়েছে ব্যাংক আমানতের প্রবৃদ্ধি। তবুও বাড়ছে ব্যাংক আমানত। মাস শেষে হাতে বাড়তি অর্থ থাকলে ব্যাংকে আমানত হিসাবে জমা হয়। তবে খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে সেটা এখন হচ্ছে না। কারণ মূল্যস্ফীতির চাপে মাসিক খরচ বেড়েছে।

দেশের বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপর। আর ব্যাংক আমানতে সুদের হার ৯ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, মার্চে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ। জানুয়ারিতে যা ছিল ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, মূল্যস্ফীতির সঙ্গে ব্যাংকে আস্থার অভাব রয়েছে। আস্থার অভাবে অনেকেই ব্যাংকে টাকা রাখছেন না। গণআন্দোলনে ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। তার আগে থেকেই ডলার সংকট, রিজার্ভের পতন, রেমিট্যান্স কমে যাওয়াসহ অর্থনীতিতে নানা সংকট ছিল। আন্দোলনের ধাক্কা সামলে উঠতে অন্তর্বর্তী সরকার নানা পদক্ষেপ নিলেও অর্থনীতিতে গতি আসেনি। সরকার পতনের পর ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার গুজবে এসব ব্যাংক থেকে আমানত তুলে নেন গ্রাহকরা। এতে সংকটে পড়ে যায় এসব ব্যাংক। তিনি বলেন, এসব ব্যাংক প্রথম অন্য ব্যাংক থেকে টাকা ধার করে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেয়।

সরকার পতনের মাস অগাস্টে ব্যাপক সহিংসতা, বিশৃঙ্খলার মধ্যেও ব্যাংক আমানতে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তথ্য দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে ১০ শতাংশের কম প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২০২৩ সালের অক্টোবরে, ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ।

ব্যাংকে ফিরছে ঘরের টাকা

পরের মাস সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাংকে ফিরতে শুরু করে মানুষের হাতে রাখা টাকা। সর্বশেষ চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ব্যাংকে ফিরেছে ২ হাজার ১৪০ কোটি ৬ লাখ টাকা। মানুষ ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেওয়ার পর যা আর ব্যাংকে ফেরত আসে না, তা-ই ব্যাংকের বাইরে থাকা টাকা হিসেবে পরিচিত। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকেই মানুষের হাতে নগদ বা ব্যাংকের বাইরে থাকা টাকার পরিমাণ কমতে থাকে। গত বছরের আগস্টে মানুষের হাতে বা ব্যাংকের বাইরে থাকা টাকার পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৯২ হাজার ৪৩৪ কোটি ৪ লাখ টাকা। আর পরের মাস সেপ্টেম্বরে কমে দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৩ হাজার ৫৫৩ কোটি ৪ লাখ, তার পরের মাস অক্টোবরে কমে দাঁড়ায় ২ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি ৭ লাখ, নভেম্বরে কমে দাঁড়ায় ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪৫৬ কোটি ৭ লাখ, ডিসেম্বরে কমে দাঁড়ায় ২ লাখ ৭৬ হাজার ৩৭১ কোটি ৫ লাখ এবং সর্বশেষ চলতি বছরের জানুয়ারিতে ব্যাংকের বাইরে থাকা বা মানুষের হাতে থাকা টাকা কমে দাঁড়ায় ২ লাখ ৭৪ হাজার ২৩০ কোটি ৯ লাখ টাকা।

তথ্য মতে, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ধারাবাহিক কমছিল ব্যাংকের বাইরে থাকা টাকার পরিমাণ। কিন্তু নভেম্বর থেকে আবার বাড়তে শুরু করে। যেটা গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।

প্রতিবেদন বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে ব্যাংকের বাইরে মানুষের হাতে নগদ টাকার পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা। পরের মাস নভেম্বরে সেটা বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা, ডিসেম্বরে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৮৬০ কোটি, জানুয়ারিতে ২ লাখ ৫৭ হাজার ২৯৫ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৫৭৪ কোটি, মার্চে ২ লাখ ৬১ হাজার ১৯৫ কোটি, এপ্রিলে বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৭০ হাজার ৬৫৮ কোটি, মে মাসে ২ লাখ ৭০ হাজার ৬৫৮ কোটি, জুনে ২ লাখ ৯০ হাজার ৪৩৬ কোটি, জুলাইয়ে ২ লাখ ৯১ হাজার ৬৩০ কোটি ও আগস্টে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯২ হাজার ৪৩৪ কোটি ৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ দশ মাসে ব্যাংকের বাইরে মানুষের হাতে নগদ টাকা বেড়েছে ৪৬ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। 

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের খরচ বেশি হয়। এজন্য ব্যাংক থেকে টাকা তুলে হাতে রাখে। এখন মূল্যস্ফীতি কমে আসায় আগের মতো বেশি টাকা হাতে রাখতে হচ্ছে না। তারপর ব্যাংক খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে কিছু ব্যাংকের প্রতি মানুষের আস্থায়ও নষ্ট হয়েছিল। মানুষ ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিয়েছিল। এখন আস্থায় ফেরায় মানুষ আবার ব্যাংকে টাকা রাখছে। 

এদিকে মানুষের হাতে থাকা নগদ টাকার পরিমাণ কমার পাশাপাশি কমেছে বাজারে মুদ্রা সরবরাহও। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বরে ব্যাংক খাতে ছাপানো টাকার স্থিতি (রিজার্ভ মানি) ছিল ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৪৯৯ কোটি ৭ লাখ টাকা। আর পরের মাস অর্থাৎ চলতি বছরের জানুয়ারিতে সেটা কমে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৭০৮ কোটি ৩ লাখ টাকা।

গবেষণা ও নীতি সহায়ক সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইএনএফ) সাবেক নির্বাহী পরিচালক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কে মুজেরী প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘ব্যাংকে আমানতের সুদহারও বেড়েছে। এ কারণে গ্রাহকরা আবার তাদের হাতে থাকা টাকা ব্যাংকে ফিরিয়ে আনছেন। এতে একদিকে বাড়ছে আমানত, অন্যদিকে ব্যাংকের বাইরে থাকা অর্থের পরিমাণ কমছে। এফডি আর ডিপিএস- যে নামেই হোক না কেন, ব্যাংকে টাকা ফেরা এটা খুবই ইতিবাচক।’

তিনি বলেন, ‘বেশ কিছু ব্যাংকের অবস্থা খারাপ ছিল। ওই ব্যাংকের গ্রাহকরা তাদের আমানত তুলে নিয়েছে। তুলে নেওয়া আমানত তুলনামূলক ভালো ব্যাংকে জমা করেছে। এজন্য বেশকিছু ব্যাংকে আমানতের প্রবৃদ্ধি অনেক ভালো করেছে। ভালো করা ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের আস্থা ছিল বলে তারা ভালো করেছে।’ 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা