প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৫ ১৫:৫৮ পিএম
আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০২৫ ১৫:৫৯ পিএম
প্রতীকী ছবি
বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১২ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
ফলে ব্যবসায়ীদের বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তিকে বহাল রাখল মন্ত্রণালয়। গত রবিবার প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৪ টাকা বাড়িয়ে ১৮৯ টাকা এবং খোলা সয়াবিন ও পাম তেলে ১২ টাকা বাড়িয়ে ১৬৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। সমিতিটি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, রবিবার থেকেই তা কার্যকর হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কোনো কথা বলেনি।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে ভোজ্যতেল আমদানি-সরবরাহসহ সার্বিক বিষয়ে পর্যালোচনা সভা শেষে বাণিজ্য উপদেষ্টা এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংক্ষিপ্ত এক তথ্যে জানানো হয়েছে, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮৯ টাকা, যা আগে ছিল ১৭৫ টাকা। তা ছাড়া প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৯ টাকা, যা আগে ছিল ১৫৭ টাকা।
ভোজ্যতেল সরবরাহকারী সমিতির বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, নতুন ঘোষণায় পাঁচ লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯২২ টাকা, যা আগে ছিল ৮৫২ টাকা।
এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর সর্বশেষ বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন লিটারপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয় ১৭৫ টাকা।
ঈদের আগে ২৭ মার্চ নতুন করে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেন মিলমালিকেরা। তখন বোতলজাত সয়াবিনের দাম একলাফে লিটারে ১৮ টাকা বাড়াতে চান ব্যবসায়ীরা। আর খোলা সয়াবিন তেলের দাম বাড়াতে চান লিটারে ১৩ টাকা। ভোজ্যতেলের কর-সুবিধার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরদিন ১ এপ্রিল থেকে এই দর কার্যকরের ঘোষণা দেন ব্যবসায়ীরা। ওইদিন দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা সংগঠনটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে লিখিতভাবে জানিয়েছিল।
রমজানের আগে দাম সহনীয় রাখতে সরকার ভোজ্যতেলের ওপর যে শুল্ক-করে রেয়াত দিয়েছিল, তার মেয়াদ গত ৩১ মার্চ শেষ হওয়ায় এই দাম বাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এরপর ঈদের ছুটি শেষে গত সপ্তাহের শুরু থেকে দফায় দফায় দাম নিয়ে আলোচনা হয়।
তখন প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৯০ টাকার বেশি হবে নাকি কম, তা নিয়ে সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা চলে। গত সপ্তাহের রবি, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দর-কষাকষি হলেও তখন কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।