× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বাংলাদেশে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে আদানি পাওয়ার

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৩:০০ পিএম

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৪:৪৯ পিএম

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

শিগগিরই ভারতের আদানি পাওয়ার থেকে পুরো ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তিন মাসের মধ্যে এই সরবরাহ পূর্ণ মাত্রায় পৌঁছাবে বলে জানা গেছে। তবে বিদ্যুতের মূল্য ও কর–সুবিধায় যে ছাড় চেয়েছিল বাংলাদেশ, সেটি দিতে রাজি হয়নি আদানি।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিল পরিশোধে বিলম্বের কারণে ২০২৩ সালের ৩১ আগস্ট আদানি পাওয়ার বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক কমিয়ে দেয়। এরপর ১ নভেম্বর ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। শীত মৌসুমে বিদ্যুতের চাহিদা কমে যাওয়ায় বাংলাদেশ নিজেই বিদ্যুৎ সরবরাহ কমানোর অনুরোধ জানায়, যা আদানি পাওয়ার গ্রহণ করে।

এখন গ্রীষ্মকাল শুরু হতে যাওয়ায় এবং চাহিদা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায়, বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) অনুরোধে আদানি পাওয়ার পুনরায় পুরো সরবরাহ দিতে রাজি হয়েছে। ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানির এই বিদ্যুৎকেন্দ্র শুধুমাত্র বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

সূত্র অনুযায়ী, বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু হলেও বাংলাদেশ যে কর ছাড় ও মূল্য সুবিধা চেয়েছিল, তা প্রত্যাখ্যান করেছে আদানি। বিপিডিবি গত মঙ্গলবার আদানি পাওয়ারের সঙ্গে একটি ভার্চ্যুয়াল বৈঠক করে। তবে আলোচনার পরেও আদানি তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি।

একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ‘আদানি পাওয়ার ছাড় দিতে রাজি নয়, এমনকি ১০ লাখ ডলারও নয়। বাংলাদেশ ছাড় চাইলেও আদানি চুক্তির শর্ত টেনে আনছে।’

এ নিয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে বিপিডিবির চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম রয়টার্সের আহ্বানে সাড়া দেননি। তবে তিনি আগেই বলেছিলেন, ‘আদানির সঙ্গে এখন বড় কোনো সমস্যা নেই এবং তারা শিগগিরই পুরো বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করতে যাচ্ছে।’

বিপিডিবির মাসিক বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ ৮.৫ কোটি ডলার থেকে আরও বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। তবে আদানি পাওয়ার দাবি করছে, তাদের পাওনা প্রায় ৯০ কোটি ডলার, যেখানে বিপিডিবি বলছে, এই পরিমাণ ৬৫ কোটি ডলার। এই পার্থক্যের মূল কারণ বিদ্যুতের শুল্ক হিসাবের পদ্ধতি নিয়ে মতভেদ।

এর আগে বিপিডিবি আদানি পাওয়ারের কাছে কয়েক লাখ ডলারের কর–সুবিধা এবং ২০২৩ সালের মে পর্যন্ত বিদ্যমান ছাড় পুনর্বহালের অনুরোধ করেছিল। তবে আদানি তাদের অবস্থান থেকে এক ইঞ্চিও সরতে রাজি হয়নি।

আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় সম্পূর্ণ মাত্রায় চালু হলেও, মূল্যছাড় না পাওয়ায় বাংলাদেশকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনতে হবে। এতে বিদ্যুতের খরচ বাড়বে এবং সামগ্রিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে।

সূত্র : রয়টার্স

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা