প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৫ ২১:৫২ পিএম
বুধবার রাজধানীর গুলশানে এফবিসিসিআই এবং পাকিস্তানের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন। ছবি: সংগৃহীত
রোজাসহ সারা বছরের চাহিদা মেটাতে পাকিস্তান থেকে খেজুর, কমলার পাশাপাশি অন্যান্য ফল ও কৃষিপণ্য আমদানিতে বড় সম্ভাবনা দেখছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা। পাশাপাশি পাকিস্তানে বাংলাদেশি বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মনে করছেন তারা। এজন্য দুদেশের মধ্যে শুল্ক-অশুল্ক বাধাসমূহ দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে এফবিসিসিআই এবং পাকিস্তানের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের মধ্যে অনুষ্ঠিত সভায় এসব কথা উঠে আসে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘রমজান মাসে বাংলাদেশে খেজুরের প্রচুর চাহিদা থাকে। পাশাপাশি অন্যান্য ফলের চাহিদাও এ সময় বেড়ে যায়। এ ছাড়া বছরজুড়েই স্থানীয় বাজারে দেশি-বিদেশি ফলের বেশ চাহিদা থাকে। বাংলাদেশের জন্য ফল ও কৃষিপণ্যের সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য উৎস হতে পারে পাকিস্তান।’
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘বেসরকারি খাতে যৌথ উদ্যোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দুদেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।’ সেই সঙ্গে বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ ও সম্প্রসারণের জন্য লজিস্টিকস, সাপ্লাই চেইন, কোল্ড স্টোরেজ, প্যাকেজিং ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর দেন উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা।
সভায় উপস্থিত ছিলেনÑ ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তান হাইকমিশনের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এটাচে জাইন আজিজ, এফবিসিসিআইয়ের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান মো. জাফর ইকবাল এনডিসি, এফবিসিসিআইয়ের নেতারা, পাকিস্তানের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সদস্যরা, বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারাসহ অন্যরা।