প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৮ নভেম্বর ২০২২ ১৭:৫৫ পিএম
আপডেট : ২৮ নভেম্বর ২০২২ ১৮:১১ পিএম
বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে। ফলে চাপে পড়ছে সাধারণ মানুষ। দোকানিরাও এ নিয়ে উদ্বিগ্ন। প্রবা ফটো
তেল, চিনি, চালের দফায় দফায় দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতার তালিকায় এবার যোগ হয়েছে আটা। ডায়েট কিংবা ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে ক্রেতা সাধারণ যে আটার রুটি খাবেন সেই সুযোগটিও হয়তো কমে আসছে। ধাপে ধাপে দাম বেড়ে পণ্যটি বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি দরে।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্যাকেটজাত ২ কেজির আটা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা দরে। আর খোলা আটা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত।
সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবির তথ্যও বলছে, গত এক সপ্তাহ কিংবা মাসের ব্যবধানে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে আটার বাজার। এক মাসের ব্যবধানে খোলা আটার দাম বেড়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ। আর প্যাকেটজাত আটার দাম বেড়েছে সাড়ে ১২ শতাংশ।
দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মোহাম্মদপুর টাউনহল কাচাবাজারের বিক্রেতা মোজাম্মেল হোসেন বলেন, আটার দাম বেড়েই চলেছে। কী কারণে বাড়ছে তা জানি না। আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে তাই বেশি দামে বিক্রি করছি। প্যাকেটের গায়ে থাকা অধিক মূল্যে আমরা পণ্য বিক্রি করি না।
আটার এমন বৃদ্ধিতে হাঁপিয়ে উঠেছেন ক্রেতা সাধারণেরাও। কারওয়ানবাজারের ক্রেতা ফরহাদ মিয়া বলেন, যেকোনো জিনিসেরই দাম ক্রমাগত বাড়ছে। এভাবে বাড়তে থাকলে কীভাবে চলব বলেন। এখন আটার দাম বেড়েছে। দেখা যাবে আবার কোনো পণ্যের দাম হঠাৎ করে বেড়ে যাবে।
এদিকে দাম বৃদ্ধির পরেও সরবরাহ সংকট কাটেনি চিনির। বিক্রেতা বলছেন, কোম্পানি চিনি সরবরাহ করলেও মিলছে না চাহিদামাফিক পণ্য। মুদিপণ্য বিক্রেতা আলমগীর বলেন, চিনির যে পরিমাণ অর্ডার কোম্পানিকে দেই, সেই পরিমাণ প্রোডাক্ট দেয় না। দেখা যায় বাজারে ১০০ কেজি চিনি ঢুকলে ওইটাই সব বিক্রেতা ভাগ করে নিচ্ছেন।
বাজারে শীত মৌসুমের সবজি আসতে থাকায় কিছুটা কমতে শুরু করেছে দাম। মানভেদে প্রতি কেজি সবজিতে দাম কমেছে ৫ থেকে ১০ টাকা।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, শসা ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, শিম ৫০ থেকে ৬০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।