প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২২ ১৯:১১ পিএম
আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২২ ১৯:১৫ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
৫ হাজার জনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে সৌদি আরামকো। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানী তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ৫১ টি স্থানীয় ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উৎপাদনকারীদের সঙ্গে ইন কিংডম টোটাল ভ্যালু অ্যাড (আইকেটিভিএ) প্রোগ্রামের অধীনে ৫৯ টি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ১ হাজার ১০০ কোটি ডলার মূল্যের এ চুক্তি প্রকল্পে ৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।
আরব নিউজের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ৫৯টি চুক্তিতে রাসায়নিক, ওয়েলহেড, সুইচগিয়ার, ভাইব্রেশন মনিটরিং সিস্টেম, পাইপ, কম্প্রেসার, স্ট্রাকচার স্টিল, ফিটিং এবং ফ্ল্যাঞ্জ এবং এয়ার কুলড হিট এক্সচেঞ্জার সহ একাধিক কৌশলগত পণ্য উৎপাদন কার্যক্রম রয়েছে। আরামকোর সাথে চুক্তি স্বাক্ষরকারী কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সংস্থার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বেকার হিউজেস, হ্যালিবারটন; সৌদি আরবের ক্যামেরন আল রুশেদ; লন্ডনের প্যারিসের এসএলবি এবং ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের প্রতিষ্টান টেকনিপএফএমসি।
নতুন চুক্তির বিষয়ে আরামকোর প্রকিউরমেন্ট এবং সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ এ. আল শামারি বলেন, এ চুক্তির ফলে আরামকোর সিপিএ হোল্ডাররা পণ্য উৎপাদনে আমাদের অংশীদার হবে। আমাদের স্থানীয় অবকাঠামো ও বিশ্বজুড়ে আমাদের নেটওয়ার্ক আরও বিস্তৃত হবে। একই প্রতিষ্ঠানের টেকনিক্যাল সার্ভিসেসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ এ আল সাদি আরও বলেন, স্থানীয় সরবরাহকারীদের উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগে আরামকোর অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। আমরা বিশ্বের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য জ্বালানী কোম্পানি হতে পারবো। এছাড়াও আমরা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কিছু জ্বালানী সরবরাহ এবং উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করতে পারব।
নতুন ভাবে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, প্রোগ্রামটি চালু হওয়ার পর থেকে দেশজ উৎপাদনে ১৩ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেশি অবদান রাখবে। সৌদিতে ১ লাখের বেশি মানুষের সাপ্লাই চেইনে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। ফলে আরামকোর সাপ্লাই চেইন আরও শক্তিশালী হবে। সৌদি আরবে উৎপাদনের বিকাশ ঘটবে।
এদিকে ২০১৫ সালে সৌদি আরামকো আইকেটিভিএ প্রকল্পটি চালু করেছিলো। এ প্রকল্পটি শুরু থেকেই শিল্প সহযোগিতা চালনা করা, দেশীয় সরবরাহকারীদের সাহায্যে স্থানীয় সরবরাহ চেইনের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্বমানের সাপ্লাই চেইন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে কাজ করে আসছে।