× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

পাচার অর্থ ফেরাতে তৎপর সরকার

দীপক দেব

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০৯:০১ এএম

আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১০:৫৫ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বিগত সময়ে বিভিন্নভাবে দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে বেশকিছু পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জাতিসংঘ সফরে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বৈঠকে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে পাচার হওয়া সম্পদ ফেরত পেতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সরকারের এসব পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি দেশ থেকে অর্থ পাচার বন্ধেও পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কাঠামোগত জায়গা থেকে সামগ্রিকভাবে এ কাজ করতে পারলে দেশ থেকে অর্থ পাচার রোধ করা সম্ভব হবে। 

সংশ্লিষ্টদের মতে, উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে উন্নত দেশগুলোতে সম্পদ ও অর্থ পাচার হওয়ার প্রবণতা অনেক আগে থেকেই। গত দেড় দশকে বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের বড় গন্তব্য ছিল যুক্তরাজ্য, দুবাই, সিঙ্গাপুর, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বলছে, এ সময়ে প্রায় সাড়ে ১৭ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। আর এই পাচারের প্রায় ৮০ শতাংশই হয়েছে বাণিজ্যের আড়ালে। গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তা ছাড়া পাচারকৃত সম্পদ দেশে ফেরত আনা ও ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স পুনর্গঠন করেছে সরকার। গত বছরের জানুয়ারিতে গঠিত এ টাস্কফোর্স পুনর্গঠনে গতকাল রবিবার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

এ ছাড়া পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা এবং পাচাররোধে করণীয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) লিগ্যাল অ্যাটাশে রবার্ট ক্যামেরুনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পাচারের টাকা ফেরাতে তাদের কাছে সহায়তা চেয়েছে দুদক। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে সভাপতি করে ৯ সদস্যের এ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। গভর্নর ছাড়াও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, এনবিআরের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং বিএফআইইউর একজন উপযুক্ত প্রতিনিধিকে টাস্কফোর্সের সদস্য করা হয়েছে।

টাস্কফোর্সের কার্যপরিধি প্রসঙ্গে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ বা সম্পদ চিহ্নিতকরণ ও তদন্তে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সহযোগিতা প্রদান; পাচারকৃত সম্পদ উদ্ধারে দায়েরকৃত মামলাগুলোর কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করা ও তা দূরীকরণে উদ্যোগ গ্রহণ; বিদেশে পাচারকৃত সম্পদ বাংলাদেশে ফেরত আনার উদ্যোগ গ্রহণ; জব্দ বা উদ্ধারকৃত সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ; এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশ, বিদেশি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ, তথ্য আহরণ; এবং পাচারকৃত সম্পদ উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট পক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ সমন্বয় সাধন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. জাকির হোসেন চৌধুরী টাস্কফোর্সের কার্যাবলি সমন্বয় করবেন এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) টাস্কফোর্সকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। টাস্কফোর্স প্রয়োজনে সরকারি-বেসরকারি কোনো সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে এবং কোনো দেশি-বিদেশি সংস্থার প্রতিনিধি বা বিশেষজ্ঞকে সভায় উপস্থিত হওয়াসহ বিশেষজ্ঞ মতামত বা পরামর্শ প্রদানের অনুরোধ করতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) তথ্য অনুসারে, গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশ থেকে অন্তত ১৪ হাজার ৯২০ কোটি বা ১৪৯ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলারে ১১৮ টাকা ধরে)। এ হিসাবে গড়ে প্রতি বছর পাচার হয়েছে অন্তত এক লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকা।

অন্যদিকে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির এক গবেষণায় দেখা যায়, স্বাধীনতার পরের অর্থবছর থেকে গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১২ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। ২০২৩ সালের মে মাসে বিকল্প বাজেট উপস্থাপনকালে সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আবুল বারকাত এত বিপুল অর্থ পাচার হয়েছে বলে দাবি করেন। সমিতির হিসাবে ১৯৭২-৭৩ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত পাচার হওয়া অর্থের ৫ শতাংশ উদ্ধার করা গেলেও সরকার ৫৯ হাজার ৬২৫ কোটি টাকা পাবে। দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ উদ্ধারের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান উৎস হতে পারে কালো টাকা ও অর্থ পাচারের ওই খাত এমন মন্তব্যও করেন এ অর্থনীতিবিদ।

জানা যায়, সরকার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় প্রথম একটি কৌশলপত্র তৈরি করেছিল ২০১৫-১৯ সময়ের জন্য। এর নাম ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ফর প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যান্ড কমব্যাটিং ফাইন্যান্স অব টেররিজম। পরে আরেকটি কৌশলপত্র করা হয় ২০১৯-২১ সময়ের জন্য। এরপর আর কৌশলপত্র হয়নি। আন্তর্জাতিক বিধিবিধান অনুযায়ী এ কৌশলপত্র তৈরি করাটা একটা চর্চা, যা প্রায় সব দেশই করে থাকে।

কৌশলপত্র অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাচার হওয়া শীর্ষ ১০ দেশ হচ্ছেÑ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ক্যামেন আইল্যান্ড এবং ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড। কয়েকটি দ্বীপরাষ্ট্রসহ উন্নত কয়েকটি দেশ, যাদের ট্যাক্সহ্যাভেন বা কর ফাঁকির অভয়ারণ্য বলা হয়। এর মধ্যে শীর্ষ ১০-এ আছে ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, কেম্যান আইল্যান্ড, বারমুডা, নেদারল্যান্ডস, সুইজারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ, হংকং, জার্সি, সিঙ্গাপুর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইএনএফ) নির্বাহী পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মোস্তফা কে মুজেরী প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ার পাশাপাশি অর্থ পাচার বন্ধেও গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা সময় সাপেক্ষ ও জটিল বিষয়। এজন্য এটাকে গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি অর্থ পাচারের যেসব চ্যানেল রয়েছে সেগুলোতে মনিটরিং বৃদ্ধি করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারের যেসব সংস্থা রয়েছে সামগ্রিকভাবে তাদের কাজে লাগাতে পারলে সেটা করা কঠিন হবে না।’ 

সংশ্লিষ্টদের মতে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তাতে তাদের আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা দুটোই প্রকাশ পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে হওয়া বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি দেশটিতে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত পাওয়ার বিষয়েও সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ বিষয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলে প্রধান উপদেষ্টাকে আশ্বস্ত করেছেন অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে এলে তাদের কাছেও এ বিষয়ে সহযোগিতা চান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ। 

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আগে অর্থ পাচারের জায়গাগুলোকে ট্র্যাকিং করতে হবে। সেটা করার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশ ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদানের বিষয়টাকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। এক্ষেত্রে কাজ করে এমন বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে, পাশাপাশি যেসব দেশে অর্থ পাচার হয়েছে সেসব দেশের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে হবে। প্রয়োজনে চুক্তি করতে হবে। তবেই অর্থ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।’ 

তিনি বলেন, ‘অনেক দেশের সঙ্গে আইনগত জায়গাতেও কাজ করতে হতে পারে। কারণ যারা টাকা পাচার করেছে তারা তো আর সেখানে টাকা বা ডলার হিসেবে মজুদ করে রাখেনি। তারা সেগুলোকে সম্পদে রূপান্তর করেছে। সেজন্য সেই সম্পদ ও তার মালিককে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য উক্ত দেশের আদালতে মামলা করাসহ অনেক ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয় রয়েছে। এজন্য ওই দেশের সরকারের সদিচ্ছা বা তাদের সঙ্গে সেভাবে যোগাযোগ রক্ষা না করা গেলে সেটা অনেক সময়সাপেক্ষ ও কঠিন হবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে যেভাবে চতুর্মুখী পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে সেটা খুবই ভালো দিক। কারণ এতে করে যারা বিদেশে টাকা পাচার করার চিন্তা করেন তারা অন্তত ভয় পাবেন।’

এদিকে গত বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবনে এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের (সিআইসি) সঙ্গে বিশ্বব্যাংক কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এনবিআর কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণসহ সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সিঙ্গাপুর, আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্যসহ যেসব দেশে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারের বিষয় সামনে আসছে, সেসব দেশ যেহেতু বিশ্বব্যাংকের সিগনেটরি, তাই উন্নয়ন সহযোগী এ সংস্থার কাছে দালিলিক প্রমাণাদি সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও অর্থ উদ্ধারের সকল ধরনের সহযোগিতা চেয়েছে এনবিআর।

এদিকে এর আগে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা এবং পাচার রোধে করণীয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করে দুদক। বৈঠকে ভবিষ্যতে কোনো প্রয়োজন হলে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে এফবিআই। দুদক এক্ষেত্রে এফবিআইয়ের সহযোগিতা নেবে কি না এ প্রশ্নের জবাবে দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন বলেন, ‘অর্থ পাচার বিষয়টি দুদকের নতুন ইস্যু নয়, সব সময়ই এ নিয়ে দুদক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের কার্যক্রমে যদি কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হয়, নিশ্চয়ই সে সহায়তা নেবে। তাদের কাছ থেকে সেই সহযোগিতা পাওয়া যাবে বলেও জানিয়েছে প্রতিনিধিদলটি।’

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা