× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

আস্থার চূড়া থেকে খাদে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক

রেদওয়ানুল হক

প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৪ ০৮:৪১ এএম

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২৪ ২১:৪৬ পিএম

আস্থার চূড়া থেকে খাদে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক

একসময় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ছিল আস্থার চূড়ায়। মানুষের ভরসার একমাত্র অবলম্বন। সাধারণ মানুষ বেসরকারি ব্যাংকে টাকা রাখতে ভয় পেত। অথচ অব্যবস্থাপনা আর দুর্নীতির করাল গ্রাসে বর্তমানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো গভীর খাদে নিপতিত হয়েছে। 

খোদ কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এসব ব্যাংককে টেনে তুলতে লম্বা সময় লেগে যাচ্ছে, কিন্তু কোনো কূল-কিনারা করা যাচ্ছে না। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সদিচ্ছার ঘাটতি এবং ক্ষমতাধরদের সহায়ক হিসেবে কাজ করার নীতি সংস্কার প্রক্রিয়াকে ক্রমশ জটিল করে তুলছে। তাই দিন দিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো আরও খারাপ অবস্থায় পতিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনিয়ম-দুর্নীতি আর অব্যবস্থাপনায় চতুর্মুখী সংকটে পড়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। খেলাপি ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়ায় মূলধন ঘাটতি তৈরি হয়েছে এসব ব্যাংকে। অপরদিকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সঞ্চয় না থাকায় ঝুঁকিতে রয়েছে গ্রাহকের আমানত। তাই আস্থার সংকটে দিন দিন আমানত কমে যাচ্ছে। ফলে বর্তমানে তীব্র তারল্য সংকটে রয়েছে এসব ব্যাংক। এছাড়া প্রয়োজনীয় রেমিট্যান্স আহরণে ব্যর্থ হয়ে রিজার্ভ থেকে ডলার নিয়ে আমদানি দায় পরিশোধ করতে হচ্ছে তাদের। নির্ধারিত সময়ে দায় শোধ করতে না পারায় বৈদেশিক বাণিজ্যেও তৈরি হয়েছে ঝুঁকি। এর মধ্যে রয়েছে সোনালী, রূপালী, অগ্রণী, জনতা, বেসিক ও বিডিবিএল। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমন অবস্থা এক দিনে তৈরি হয়নি। অনেকদিন ধরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শিথিলতার সুযোগে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে অনৈতিক সুবিধা নিচ্ছে প্রভাবশালী গোষ্ঠী। বিপুল অঙ্কের ঋণ নিচ্ছে অনিয়ম করে। এরপর এসব ঋণ ফেরত দিচ্ছে না। এমনকি রিজার্ভ থেকে ডলার নিয়ে গঠিত রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল বা ইডিএফ থেকে ঋণ নিয়েও পরিশোধ করছে না। অনেকটা কৃত্রিম সংকটের মধ্যে রয়েছে সরকারি ব্যাংকগুলো। আবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভুল নীতির কারণেও তৈরি হয়েছে তীব্র আস্থার সংকট। কঠোর পদক্ষেপ এবং সুনির্দিষ্ট সংস্কারের মাধ্যমে দ্রুত পরিস্থিতির উন্নয়ন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত সবশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর শেষে অগ্রণী ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা এবং বেসিক ও জনতা ব্যাংকের ঘাটতি ছিল যথাক্রমে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা ও ৩ হাজার ৩০ কোটি টাকা। একই সময়ে রূপালী ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি রয়েছে ২ হাজার ১২১ কোটি টাকা। কেবল সোনালী ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি নেই। এরপর আর তথ্য প্রকাশ করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। রেকর্ড খেলাপি ঋণের কারণে বর্তমানে ঘাটতির পরিমাণ আরও অনেক বেড়েছে বলে জানিয়েছে। 

সংশ্লিষ্টরা জানান, অনিয়মের কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে। এসব ব্যাংক উচ্চমাত্রার খেলাপি ঋণের কারণে প্রয়োজনীয় মুনাফা করতে পারছে না। আবার উদ্যোক্তারাও নতুন করে মূলধন জোগান দিচ্ছে না। অবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আলোকে বিভিন্ন সময় ব্যাংকগুলো মূলধন ঘাটতি পূরণের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জমা নিয়েছে। অনেক ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংক সমন্বয়ক ও পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছে। আইএমএফের ৪৭০ কোটি ডলার ঋণের শর্তের আলোকে নতুন করে পরিস্থিতি উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে দৃশ্যমান কোনো উন্নতি হয়নি।

এসব বিষয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকেরা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে নাম প্রকাশ করার শর্তে দুটি ব্যাংকের এমডি জানিয়েছেন, সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হলো খেলাপি ঋণ। খেলাপি ঋণ বাড়লে প্রভিশন সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা বাড়ে। এতে করে বেড়ে যায় মূলধন ঘাটতি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ শেষে সরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ ছিল ৮৪ হাজার ২২১ কোটি টাকা। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১৪ হাজার ৯৮৮ কোটি, জনতা ব্যাংকের ৩০ হাজার ৪৯৫ কোটি, রূপালী ব্যাংকের ১০ হাজার ৩৫৭ কোটি এবং অগ্রণী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা। এছাড়া সরকারি খাতের বেসিক ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৮ হাজার ২৯৭ কোটি টাকা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসির (বিডিবিপি) খেলাপি ঋণ ৮৭৩ কোটি টাকা।

তথ্য অনুযায়ী, মার্চ শেষে সরকারি ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা ঋণের ২৭ শতাংশই খেলাপি। যদিও আইএমএফের ঋণের শর্ত অনুযায়ী খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের নিচে রাখতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ শেষে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ সর্বকালের সর্বোচ্চ ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। চলতি বছরের মার্চ শেষে মোট বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে ১১ দশমিক ১১ শতাংশই খেলাপি ঋণে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে গত বছরের মার্চে খেলাপি ঋণ ছিল ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। সে হিসাবে গত ১ বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটাই খেলাপি ঋণের পুরো চিত্র নয়। লুকানো খেলাপি ঋণ এর চেয়ে অনেক বেশি। অবলোপন, আদালতের স্থগিতাদেশ, বিশেষ নির্দেশিত হিসাবে থাকা অর্থ হিসাব করে মোট খেলাপি ঋণ সাড়ে ৪ লাখ কোটি থেকে ৫ লাখ কোটি টাকার মধ্যে রয়েছে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘খেলাপি ঋণ এখন ব্যাংকের বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, এর বিপরীতে প্রভিশন রাখতে গিয়ে অনেক ব্যাংক মূলধন খেয়ে ফেলছে।’ 

তিনি বলেন, ‘ব্যাংকগুলো নামে-বেনামে ঋণ দিচ্ছে; কোনো যাচাই-বাছাই হচ্ছে না। বিশেষ সুবিধায় এসব ঋণ পুনর্গঠনও করা হচ্ছে। তারপরও এর অর্থ পরিশোধ করছে না; এটিই এখন দেশের বিজনেস মডেল। ফলে বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণ।’

অপরদিকে নিরাপত্তা সঞ্চয় বা প্রভিশন ঘাটতিতে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো। এতে গ্রাহকের আমানত ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রভিশন সংরক্ষণে বিপুল অঙ্কের ছাড় নিয়ে তথ্য লুকিয়ে ব্যাংকের স্বাস্থ্য ভালো দেখাচ্ছে এসব ব্যাংক। নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে পরিচালন মুনাফার শূন্য দশমিক ৫ থেকে ৫ শতাংশ সাধারণ ক্যাটাগরির ঋণের বিপরীতে প্রভিশন হিসেবে রাখতে হয়। নিম্নমানের খেলাপি ঋণের বিপরীতে ২০ শতাংশ এবং সন্দেহজনক খেলাপি ঋণের বিপরীতে ৫০ শতাংশ প্রভিশন রাখতে হয়। এছাড়া প্রতিটি ব্যাংকের জন্য মন্দ বা লোকসান ক্যাটাগরির খেলাপি ঋণের বিপরীতে শতভাগ প্রভিশনিং আলাদা করে রাখার বিধান রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী গত ডিসেম্বর শেষে, অগ্রণী ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ছিল ৪ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা। একই সময়ে বেসিক ব্যাংকের ৫ হাজার ১৯৫ কোটি টাকা এবং রূপালী ব্যাংকের ২ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ব্যাংক খাতে প্রভিশন ঘাটতি বেড়েছে ২ হাজার ৩৯৭ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথ্য প্রকাশ না করায় আলোচিত সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ঘাটতি কত বেড়েছে তা জানা যায়নি। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ সুবিধার আওতায় প্রভিশন সংরক্ষণে বিশাল ছাড় নিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো। ছাড়ের অঙ্ক ২০ হাজার ৪৬৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে রূপালী ব্যাংক প্রভিশন ঘাটতির বিপরীতে ৬ হাজার ৪৭ কোটি টাকার ডেফারেল সুবিধা নেয়।

অগ্রণী ব্যাংক চার বছরের জন্য নিয়েছে ৫ হাজার ৯১১ কোটি টাকার ডেফারেল সুবিধা। বেসিক ব্যাংক ৪ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার সুবিধা পেয়েছে, যা ৯ বছরের জন্য সমন্বয়ের সুযোগ থাকছে। সোনালী ব্যাংক চার বছরে ৩ হাজার ৭২১ কোটি টাকার ডেফারেল সুবিধা নিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রভিশন ঘাটতি ব্যাংকের জন্য অশনিসংকেত, কারণ এটি ব্যাংকগুলোর দুর্বল আর্থিক অবস্থার চিত্র তুলে ধরে, যা মূলত উচ্চ খেলাপি ঋণের ফল। প্রভিশন বাড়লে ব্যাংকের নিট মুনাফা কমে যায়। ফলে শেয়ারহোল্ডাররা কম লভ্যাংশ পান।

ব্যাংকগুলোকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বিষয়টা আমানতকারীদের জন্য বড় ঝুঁকি। সাধারণ আমানতকারীরা যদি না জানে তারা যে ব্যাংকে টাকা রাখছেন, তার ভিত্তি দুর্বল, তাহলে তাদের প্রতারিত হওয়ার সুযোগ থাকে। এজন্য লাগাতার ডেফারেল সুবিধা দেওয়া মোটেও ব্যাংকের জন্য ভালো নয়। এতে ব্যাংকগুলো আগ্রাসী ঋণে আগ্রহ পায়।’

উদ্ভুত পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে আমানতের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে কমছে। ব্যাংক খাতে চরম আস্থার সংকটের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বর শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে আমানতের পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। ডিসেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকায়। অর্থাৎ তিন মাসের ব্যবধানে আমানত কমেছে ৪ হাজার কোটি টাকা। চলতি বছরেও আস্থা ফিরে আসেনি। তাই এসব ব্যাংকের আমানত আরও কমে গেছে। গত মার্চ শেষে আমানত আরও ২ হাজার কোটি টাকা কমে হয়েছে ৪ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জুনভিত্তিক প্রতিবেদন এখনও প্রকাশ করেনি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জুন শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে আমানতের আরও বড় পতন ঘটতে যাচ্ছে। কারণ ব্যাংক একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার কারণে সৃষ্ট আস্থার সংকটে বিপুল আমানত উত্তোলন হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজেই কয়েকটি ব্যাংককে দুর্বল হিসেবে চিহ্নিত করে। ফলে এসব ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেয় আমানতকারীরা।

সার্বিক পরিস্থিতিতে তীব্র আস্থার সংকটে পড়েছে দেশের ব্যাংক খাত। অনেক ব্যাংক আমানতকারীদের টাকা দিতে পারছে না। কেউ দিচ্ছে কিস্তিতে। আবার কেউ অস্বাভাবিক আমানত ধরে রাখতে অস্বাভাবিক সুদ হাঁকাচ্ছে।

বৈদেশিক বাণিজ্যেও সংকটে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো। প্রয়োজনীয় রেমিট্যান্স সংগ্রহে ব্যর্থ হয়ে রিজার্ভ থেকে ডলার নিয়ে আমদানি দায় পরিশোধ করছে এসব ব্যাংক। তথ্য অনুযায়ী, সদ্যবিদায়ি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ডলারের কঠিন সংকটের সময়েও বাংলাদেশ ব্যাংক দুহাতে ডলার বিক্রি করেছে। আলোচিত সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে রিজার্ভ থেকে ১২ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার বিক্রি হয়েছে। এর সিংহভাগ নিয়েছে রাষ্ট্র খাতের ব্যাংকগুলো।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র সাইফুল ইসলাম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সমস্যা দীর্ঘদিনের। কিছু খারাপ ঘটনার কথা সকলেরই জানা। আবার রাষ্ট্রের স্বার্থে ও জনকল্যাণে অনেক ছাড় দিতে গিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক মুনাফা করতে পারছে না। সব মিলিয়ে যেসব সংকট আছে, তা থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা