প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৪ ২০:২৩ পিএম
আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২৪ ২০:৫৫ পিএম
হাটখোলায় এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার ভবনে ‘এক্সটেনডেন্ড প্রডিউসার রেসপনসিবিলিটি (ইপিআর)’ বিষয়ক সেমিনার। প্রবা ফটো
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেছেন, সরকার প্লাস্টিক খাতকে অগ্রাধিকার প্রাপ্ত রপ্তানি খাত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এ সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী এবং কার্যকরী। এক্সটেনডেন্ড প্রডিউসার রেসপনসিবিলিটি (ইপিআর) বাস্তবায়িত হলে শিল্পায়নের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ অনেকটা সম্ভব হবে।
সোমবার (৮ জুন) রাজধানীর হাটখোলায় এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার ভবনে ‘এক্সটেনডেন্ড প্রডিউসার রেসপনসিবিলিটি (ইপিআর)’ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ এবং আমরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক প্লাস্টিক বাজারের ৫৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে মাত্র ০.৬ শতাংশ বাংলাদেশের। বাংলাদেশ সরকার এই খাতের প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে প্লাস্টিক শিল্প উন্নয়ন নীতি প্রণয়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে প্লাস্টিক এবং প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ১ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা। প্রতিযোগিতামূলক ও নতুন নতুন বাজার তৈরি হওয়ায় চলতি ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইপিআর পরিবেশ দূষণ রোধে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআইএর সাবেক সভাপতি এবং ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মো. জসীম উদ্দিন। তিনি বলেন, শ্রম এবং মূলধনকে একত্রিত করে প্লাস্টিক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির অভ্যন্তরীণ বাজার এবং রপ্তানিমুখী বাজার উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে বার্ষিক মাথাপিছু প্লাস্টিক ব্যবহার ২০০৫ সালে ৩ কেজি থেকে বেড়ে ২০২০ সালে ৯ কেজিতে উন্নীত হয়েছে। ঢাকায় বার্ষিক মাথাপিছু প্লাস্টিক ব্যবহার ২৪ কেজি। ইপিআর বাস্তবায়িত হলে আমাদের সার্কুলার ইকোনমিতে যেমন অবদান রাখবে, তেমনি পারিবেশ দূষণ রোধেও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
সেমিনারে বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআই-আইআরসির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তফা আজাদ চৌধুরি বাবু, ভাইস চেয়ারম্যান এম এ মোমেন, বিপিজিএমইএ সভাপতি, শামিম আহমেদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. বিকর্ণ কুমার ঘোষ, এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার এর অন্যান্য পরিচালক, বাংলাদেশের বিভিন্ন চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর সদস্যবৃন্দ। আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার ম্যাট ক্যানেল এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের কান্ট্রি হেড শ্যানন ওয়েস্ট।