× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সাক্ষাৎকার

ওয়ালটন গ্রাহকের প্রয়োজন ও পছন্দ অনুযায়ী ফ্রিজ দিচ্ছে

তাহসিনুল হক

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৪ ১০:৪৭ এএম

আপডেট : ১২ জুন ২০২৪ ১৬:২৪ পিএম

তাহসিনুল হক

তাহসিনুল হক

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ উৎপাদনে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে ওয়ালটন। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যয় হচ্ছে পণ্য গবেষণা, উদ্ভাবন এবং অটোমেশনে। গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হাইটেক পার্কে গড়ে তোলা হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার। প্রতিদিনের বাংলাদেশের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ওয়ালটন রেফ্রিজারেটরের চিফ বিজনেস অফিসার তাহসিনুল হক

প্রশ্ন : দেশীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে রেফ্রিজারেটর বাজারের সফলতার কারণগুলো কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?

উত্তর : সব শ্রেণি-পেশার গ্রাহকের পছন্দ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্রিজ উৎপাদন ও বাজারজাত করছি আমরা। দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ওয়ালটন রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন টিমের প্রকৌশলীদের মাধ্যমে ওয়ালটন ফ্রিজে সর্বাধুনিক সব প্রযুক্তি ও ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। ওয়ালটন ফ্রিজ যেমন আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, তেমনি দামেও সাশ্রয়ী। ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। পাশাপাশি রয়েছে আইএসও সনদপ্রাপ্ত দেশব্যাপী বিস্তৃত সর্ববৃহৎ সার্ভিস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবার নিশ্চয়তা। মূলত, এসব কারণেই দেশের রেফ্রিজারেটর বাজারের সিংহভাগ ক্রেতার আস্থা অর্জন করে সুপারব্র্যান্ড হয়েছে ওয়ালটন ফ্রিজ। দেশীয় রেফ্রিজারেটর বাজারে শীর্ষস্থান বজায় রাখতে রেফ্রিজারেটর খাতের অটোমেশন, পণ্য গবেষণা ও উদ্ভাবনে অধিক জোর দিয়েছি আমরা। চতুর্থ শিল্পবিল্পবের নতুন নতুন যে অটোমেশন প্রযুক্তি আছে সেগুলোর ব্যবহার বাড়াতে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিত্যনতুন প্রযুক্তি ও ফিচারের পণ্য উদ্ভাবনের লক্ষ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনেও প্রতিনিয়ত বিনিয়োগ করা হচ্ছে। আমাদের উদ্ভাবনী পণ্য উৎপাদনের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। 

প্রশ্ন : বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ উৎপাদনের ক্ষেত্রে অন্যদের থেকে ওয়ালটন কতটা এগিয়ে? 

উত্তর : বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ উৎপাদন আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই ওয়ালটন ফ্রিজে ব্যবহার করা হচ্ছে এমএসও প্লাস (ম্যাট্রিক্স স্পিড অপটিমাইজেশন) ইনভার্টার টেকনোলজি। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অব থিংস বেজড প্রযুক্তি বাইরের তাপমাত্রা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে সবচেয়ে কম বিদ্যুৎ খরচে ফ্রিজের অভ্যন্তরীণ সর্বোচ্চ কুলিং পারফরমেন্স নিশ্চিত করে। বাংলাদেশে ওয়ালটনই প্রথম বিএসটিআইয়ের ৫-স্টার এনার্জি রেটিং সনদপ্রাপ্ত ফ্রিজ উৎপাদন ও বাজারজাত করেছে। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ উৎপাদনে অনেক দেশ থেকে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। পরিবেশ সুরক্ষায় বিশ্বে ওয়ালটনই প্রথম পরিবেশ অধিদপ্তর ও ইউএনডিপির সমন্বয়ে ফ্রিজে ক্ষতিকারক সিএফসি ও এইচসিএফসি গ্যাস ফেজ আউট প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এর ফলে বায়ুমণ্ডলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে ওয়ালটন ফ্রিজে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্বস্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব আর৬০০এ গ্যাস। কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে ওয়ালটন যেমন পরিবেশ সুরক্ষায় অবদান রাখছে, তেমনি দেশের উৎপাদিত বিদ্যুতের সুষম ব্যবহারও নিশ্চিত করছে।

প্রশ্ন : দেশের রেফ্রিজারেটর বাজারে কোন কোন দিক থেকে ওয়ালটন অন্যদের থেকে আলাদা?

উত্তর : দেশের ফ্রিজের বাজারে সর্বোচ্চ সংখ্যক ডিজাইন ও মডেল, গুণগতমান, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার, পণ্য গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিক থেকে অন্যদের থেকে এগিয়ে রয়েছে ওয়ালটন। আমাদের স্বতন্ত্র বৈশ্বিষ্ট্য হচ্ছেÑ দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন টিম রয়েছে আমাদের। তারা ১২০টি দেশের আবহাওয়া প্যাটার্ন অনুযায়ী ফ্রিজের ডিজাইন তৈরি করছে। অঞ্চলভেদে আমাদের দেশের আবহাওয়ার তারতম্য রয়েছে। সব ধরনের আবহাওয়া উপযোগী করে ওয়ালটন ফ্রিজ তৈরি করা হচ্ছে। যে কারণে ওয়ালটন ফ্রিজ অনেক বেশি টেকসই হয়। ওয়ালটন ফ্রিজ বাজারজাত করার পূর্বে ৭০টিরও বেশি কোয়ালিটি কন্ট্রোল টেস্ট পাস করতে হয়। এ জায়গাটাতেই আমাদের সফলতা। এ ছাড়া ৫০ লিটার থেকে শুরু করে ৬৬০ লিটার পর্যন্ত ধারণক্ষমতার শত শত ডিজাইন ও মডেলের ফ্রিজ রয়েছে আমাদের। সব শ্রেণি-পেশার গ্রাহকের পছন্দ ও প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্রিজ উৎপাদন ও বাজারজাত করছি আমরা। এ ছাড়া দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদানের নিশ্চয়তায় আমাদের আছে আইএসও সনদপ্রাপ্ত দেশব্যাপী বিস্তৃত সর্ববৃহৎ আফটার সেলস সার্ভিস নেটওয়ার্ক। মূলত এসব কারণে অন্যান্য ব্র্যান্ডের থেকে আলাদা ওয়ালটন ফ্রিজ। যার প্রেক্ষিতে ওয়ালটন ফ্রিজ ১০ম বারের বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে।

প্রশ্ন : দেশের রেফ্রিজারেটর খাতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে গবেষণা ও উদ্ভাবনে ওয়ালটন কেমন বিনিয়োগ করছে? স্মার্ট প্রযুক্তি ও ফিচার উদ্ভাবনে ওয়ালটন সাফল্য কতটুকু? 

উত্তর : ওয়ালটনের বিনিয়োগের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যয় হচ্ছে পণ্য গবেষণা, উদ্ভাবন এবং অটোমেশনে। গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হাইটেক পার্কে গড়ে তোলা হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার। যেখানে কাজ করছেন বাংলাদেশ, কোরিয়া, ইতালি, চীন, তাইওয়ানসহ বিভিন্ন দেশের অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের এক চৌকস টিম। তারা প্রতিনিয়ত বাজার গবেষণার মাধ্যমে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অব থিংসের মতো স্মার্ট প্রযুক্তি ওয়ালটন ফ্রিজে সংযোজন করেছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ফ্রেঞ্চ-ডোর ফ্রিজ উৎপাদনকারী দেশের মর্যাদা লাভ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বিশ্বের প্রথম এইট-ইন-ওয়ান কনভার্টিবল সাইড বাই সাইড রেফ্রিজারেটর উৎপাদন ও বাজারজাতকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের আবির্ভাব ঘটেছে। এর মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক ফ্রিজ উৎপাদনকারী দেশে রূপান্তর ঘটেছে বাংলাদেশের।

প্রশ্ন : ফ্রিজের দাম মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের কতটা নাগালে এসেছে? 

উত্তর : আগে ফ্রিজ ব্যবহার হতো শুধু উচ্চবিত্তের ঘরে। ওয়ালটন ২০০৮ সালে দেশে বাণিজ্যিকভাবে ফ্রিজ উৎপাদন শুরুর পর ফ্রিজের দাম মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তের হাতের নাগালে মধ্যে এসে পড়ে। এখন সকল শ্রেণি, পেশা ও আয়ের লোকের ঘরে পৌঁছে গেছে ফ্রিজ। চলমান ডলার সংকটের কারণে বেসিক কাঁচামালের আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে আমাদের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তবে উৎপাদন ব্যয় যে অনুপাতে বেড়েছে সেই হারে আমরা পণ্যের দাম বৃদ্ধি করিনি। বরং ফ্রিজের দাম গ্রাহকদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রেখেছি। কেননা আমাদের কাছে গ্রাহক সন্তুষ্টির বিষয়টি সবচেয়ে বড় ব্যাপার। 

প্রশ্ন : ঈদুল আজহা আসন্ন। এ উৎসব উপলক্ষে ফ্রিজ সরবরাহে কী কী পদক্ষেপ আপনারা নিচ্ছেন?

উত্তর : ঈদের মৌসুমে দেশে প্রতি বছরই রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজারের চাহিদা বাড়ে। বাংলাদেশে ঈদের সময়টাকে ফ্রিজ বিক্রির প্রধান মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সারা বছরের ফ্রিজ বিক্রির প্রায় ৭০ ভাগ ফ্রিজ বিক্রি হয় ঈুদল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময়ে। প্রতি বছরের মতো এবছরও ঈদের মৌসুমে ফ্রিজের সিংহভাগ চাহিদা পূরণ ও বিক্রিতে শীর্ষস্থান বজায় রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ওয়ালটন। ঈদ উপলক্ষে বাজারে ছাড়া হয়েছে সর্বাধুনিক ফিচারের বেশ কিছু নতুন মডেলের ফ্রিজ। ঈদে ফ্রিজের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ওয়ালটন হাইটেক পার্কে তিন শিফটে ২৪ ঘণ্টা উৎপাদন লাইন চালু রয়েছে। পাশাপাশি উৎপাদিত ফ্রিজ দেশের সর্বত্র ওয়ালটন প্লাজা ও ডিস্ট্রিবিউটর শোরুমে পৌঁছে দিতে সরবরাহ চ্যানেল ২৪ ঘণ্টাই কাজ করছে। 

প্রশ্ন : ঈদবাজারে ওয়ালটনের কত মডেলের ফ্রিজ পাওয়া যাচ্ছে। এসব ফ্রিজের দরদাম, কিস্তিসহ অন্যান্য সুবিধা সম্পর্কে বলুন-

উত্তর : ঈদবাজারে সকল শ্রেণি, পেশা ও আয়ের ক্রেতাদের জন্য ওয়ালটনের রয়েছে শত শত ডিজাইন ও মডেলের রেফ্রিজারেটর এবং ফ্রিজার। ওয়ালটন ব্র্যান্ডের এসব ফ্রিজ ১৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। আছে জিরো ইন্টারেস্টে ছয় মাসের সহজ কিস্তিসহ সর্বোচ্চ ৩৬ মাসের কিস্তি সুবিধা। 

প্রশ্ন : ঈদ উপলক্ষে ওয়ালটন ফ্রিজ ক্রয়ে কোনো বিশেষ সুবিধা রয়েছে? 

উত্তর : প্রতিটি বড় উৎসবেই ক্রেতাদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে থাকে ওয়ালটন। এ বছরও ব্যতিক্রম নয়। গত ১ মার্চ, ২০২৪ তারিখ থেকে দেশব্যাপী চলছে ওয়ালটনের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন ২০’। এর আওতায় ওয়ালটন ফ্রিজের ক্রেতাদের জন্য ননস্টপ মিলিয়নেয়ার হওয়ার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখন পর্যন্ত মিলিয়নেয়ার হয়েছেন ৩৮ জন ক্রেতা। তারা প্রত্যেকেই পেয়েছেন নগদ ১০ লাখ টাকা। এ ছাড়া এক লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার পেয়েছেন বেশ কয়েকজন ক্রেতা। ওয়ালটন ফ্রিজের প্রত্যেক ক্রেতার জন্য রয়েছে নিশ্চিত উপহার। 

প্রশ্ন : ঈদ উপলক্ষে বাজারে আসা ওয়ালটনের নতুন মডেলের ফ্রিজের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার সম্পর্কে বলুন-

উত্তর : ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে অর্ধ-শতাধিক অত্যাধুনিক ফিচারসমৃদ্ধ বেশ কিছু নতুন মডেলের ফ্রিজ বাজারে ছেড়েছে ওয়ালটন। নতুন মডেলের এসব ফ্রিজের মধ্যে রয়েছে ৬৪৬ লিটার ধারণক্ষমতার মাল্টি-কালার ডিজাইনের সাইড বাই সাইড রেফ্রিজারেটর, নাইন-ইন-ওয়ান কনভার্টিবল মোডসমৃদ্ধ ৬৬০ লিটার ফ্রেঞ্চ ডোর রেফ্রিজারেটর, ইউরোপিয়ান ডিজাইনের ৩৪৩ লিটার অত্যাধুনিক নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর, ৩৩৪ লিটার ভার্টিকাল ফ্রিজার, কনভার্টিবল মোডের ২৫৫ লিটার চেস্ট ফ্রিজার এবং চকোলেট কুলার। নান্দনিক ডিজাইনে তৈরি ওয়ালটনের বিশ্বমানের এসব ফ্রিজ প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি বাড়িয়ে দেবে ঘরের আভিজাত্য। এসব ফ্রিজের কম্প্রেসরে ব্যবহার করা হয়েছে সিএফসি এবং এইচসিএফসিমুক্ত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব আর৬০০এ (জ৬০০ধ) গ্যাস। এসব ফ্রিজের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অব থিংস বেজড এমএসও প্লাস (ম্যাট্রিক্স স্পিড অপটিমাইজেশন) ইনভার্টার টেকনোলজি বাইরের তাপমাত্রা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে সবচেয়ে কম বিদ্যুৎ খরচে ফ্রিজের অভ্যন্তরীণ সর্বোচ্চ কুলিং পারফরমেন্স নিশ্চিত করে। ওয়ালটন নতুন মডেলে ব্যবহৃত এআই ডক্টর ফিচার গ্রাহকের বাসায় ব্যবহৃত ফ্রিজে কোনো সমস্যা থাকলে তা আগেই ওয়ালটন সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরা জানতে পারবেন এবং সে অনুযায়ী দ্রুত ফ্রিজের সমস্যাটি সমাধান করবেন। ফ্রিজের রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজার কম্পার্টমেন্টের কুলিং পারফরমেন্স গ্রাহক তার পছন্দমতো সেট করতে পারবেন। এতে বিদ্যুৎ খরচ হবে অনেক কম। এসব ফ্রিজে রয়েছে ইন্টেলিজেন্ট জার্ম টার্মিনেটর (আইজিটি), স্মার্ট কন্ট্রোল, ডোর ওপেনিং অ্যালার্ম, চাইল্ড লক, থ্রি লেয়ার ওডোর গার্ড ও হিউম্যান ডিটেক্টর। স্মার্ট কন্ট্রোল ফিচার থাকায় ফ্রিজের দরজা না খুলেই হাতের স্পর্শের মাধ্যমেই ফ্রিজ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

প্রশ্ন : ওয়ালটন ফ্রিজের বিক্রয়োত্তর সেবা সম্পর্কে তথ্য দিন-

উত্তর : ওয়ালটন ফ্রিজের আন্তর্জাতিকমানের নিশ্চয়তায় ক্রেতাদের দেওয়া হচ্ছে ১ বছরের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি, ১২ বছরের কম্প্রেসর গ্যারান্টি এবং ৫ বছর পর্যন্ত ফ্রি বিক্রয়োত্তর সেবা। দেশের প্রথম আইএসও সার্টিফাইড ও সর্ববৃহৎ সার্ভিস নেটওয়ার্কের আওতায় দেশব্যাপী বিস্তৃত ৮০টিরও বেশি সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে গ্রাহকদের দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা পৌঁছে দিচ্ছে ওয়ালটন। 

প্রশ্ন : ওয়ালটন ফ্রিজ রপ্তানি হচ্ছে কোন কোন দেশে? রপ্তানির পরিমাণ কত? 

উত্তর : ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, ইরাক, ইয়েমেন, নাইজেরিয়া, তুরস্ক, অস্ট্রিয়াসহ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ ৪০টিরও বেশি দেশে রেফ্রিজারেটরসহ ফ্রিজের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ রপ্তানি করছে ওয়ালটন। গত অর্থবছরে প্রায় এক লাখ ইউনিট ফ্রিজ রপ্তানি করেছি আমরা। ২০২৬ সালের মধ্যে তিন লাখ ইউনিট ফ্রিজ রপ্তানির টার্গেট রয়েছে আমাদের। সেজন্য ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ উন্নত বিশ্বের বাজারে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে কাজ করছি আমরা। গঠন করেছি সুদক্ষ এবং চৌকস গ্লোবাল বিজনেস টিম। পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ায় স্থাপন করা হয়েছে রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার। সেখানে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারের উদ্ভাবনী পণ্যের পাশাপাশি ইউরোপ ও আমেরিকার স্ট্যান্ডার্ড, আবহাওয়া এবং ক্রেতাদের চাহিদা, খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি বিষয়ে প্রতিনিয়ত গবেষণা চালানো হচ্ছে। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা