প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৪ ১৬:২৯ পিএম
আপডেট : ০৬ জুন ২০২৪ ১৭:৩০ পিএম
উচ্চ মূল্যস্ফীতির এ সময়ে ব্যক্তি-শ্রেণির করদাতাদের বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা বাড়েনি। আগের মতোই বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট পেশ করে ব্যক্তি-শ্রেণির করদাতাদের জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে ৩০ শতাংশ হারে নতুন একটি কর স্তর তৈরি করার প্রস্তাব করেছেন। তিনি কর স্তর পুনর্বিন্যাস করারও প্রস্তাব করছেন।
এখন ৫, ১০, ১৫, ২০ ও ২৫ শতাংশ করহারের পর উচ্চস্তরে আরেকটি করহার এসেছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম সাড়ে তিন লাখ টাকার পর প্রথম এক লাখ টাকার জন্য ৫ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকার জন্য ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকার জন্য ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকার জন্য ২০ শতাংশ এবং পরবর্তী ২০ লাখ টাকা আয়ের জন্য ২৫ শতাংশ কর দিতে হবে। বাকি অর্থের ওপর কর বসবে নতুন ৩০ শতাংশ হারে।
এ ছাড়া নারী করদাতা এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা হলো চার লাখ টাকা। ট্রান্সজেন্ডার করদাতা ও প্রতিবন্ধী স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়সীমা হবে পৌনে পাঁচ লাখ টাকা।
গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা পাঁচ লাখ টাকা হবে। আর প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বাবা-মা বা আইনানুগ অভিভাবকের প্রত্যেক সন্তান বা পোষ্যের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা আরও ৫০ হাজার টাকা বেশি হবে।
দেশে যখন উচ্চ মূল্যস্ফীতি চলমান, তখন ব্যক্তি-শ্রেণির করদাতাদের বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন মহল থেকে দাবি জানানো হয়েছিল। গত মে মাসেও মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি ছিল। টানা ১৫ মাস ধরে দেশে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপর রয়েছে। নির্দিষ্ট আয়ের মানুষকে খাদ্য কিনতে আয়ের বেশির ভাগ অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। গত মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ শতাংশের ওপর।