× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ল সরকারি হিসাবেই

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৪ ১০:২৬ এএম

আপডেট : ০৪ জুন ২০২৪ ১০:৪৪ এএম

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

বাজারের খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে সার্বিক মূল্যস্ফীতিতে। চলতি বছরের মে মাসেও খাদ্য মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘর ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, গত মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ, যা এপ্রিলে ছিল ১০ দশমিক ২২ শতাংশ। সে হিসেবে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বাড়ল শূন্য দশমিক ৫৪ শতাংশ। ফলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এপ্রিল মাসে ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে বাড়ল শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ।

সোমবার (৩ জুন) বিবিএস মে মাসের মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে দেখা যায়, খাদ্য মূল্যস্ফীতি বাড়লেও মে মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে। গত এপ্রিলে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ, যা মে মাসে কমে হয়েছে ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি কমেছে শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ।

এদিকে গ্রামাঞ্চলে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। মে মাসে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ। সে হিসেবে বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ। গ্রামাঞ্চলে মে মাসে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৭৩ শতাংশ, যা এপ্রিল মাসে ছিল ১০ দশমিক ২৫ শতাংশ। সে হিসেবে বেড়েছে শূন্য দশমিক ৪৮ শতাংশ। এ ছাড়া খাদ্যবহির্ভূত খাতে মে মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ। অর্থাৎ এক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৯ শতাংশ।

মে মাসে শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ। সে হিসেবে বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশ। খাদ্য খাতে শহরাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ১০.৮৬ শতাংশ, যা এপ্রিল মাসে ছিল ১০.১৯ শতাংশ। সে হিসেবে বেড়েছে শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৩ শতাংশ, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৯ দশমিক ১ শতাংশ। 

বর্তমান বাজার পরিস্থিতি

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন বাজারে বর্তমানে প্রতিনিয়ত পণ্যসামগ্রীর দাম বাড়ছেই। বাজারভেদে ভারতীয় কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা ও দেশি কাঁচা মরিচ ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা ও আমদানি করা রসুন ২৪০ টাকা। সবচেয়ে বেশি মাথা ঘামাতে হচ্ছে আলু নিয়ে। এ বছর আলুর দাম ৩০ টাকার নিচে আসেনি। বর্তমানে বাজারভেদে আলু বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকা কেজিতে। পেঁয়াজের দামও মানুষকে কম ভোগাচ্ছে না। প্রতি কেজি পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়, টমেটো ৫৫-৬০ টাকা, করলা ৫০-৬০ টাকা, পটোল ৫৫-৬০ টাকা ও ঝিঙার কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা। লম্বা বেগুনের দামও ৫০-৬০ টাকার নিচে নেই। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি। বরবটির কেজি ৭০-৮০ টাকা, ধুন্দল ৫০-৬০ টাকা। ঢ্যাঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি, শসা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা কেজি, লতা ৮০-৮৫ টাকা কেজিতে। 

বর্তমানে ফার্মের মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা ডজনে ও এক হালি কিনলে দিতে হচ্ছে ৬০ টাকা। সাদা ডিমের ডজন ১৪০ টাকা ও এক হালি ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি ৩৫০-৩৬০ টাকা কেজি, দেশি মুরগির দাম আগের মতোই আকাশ ছোঁয়া তথা ৭০০ টাকা কেজি। গরুর মাংস ৭৫০-৭৮০ টাকা, খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি। 

ডিম বা শাকসবজির বদলে ডাল দিয়ে ভাত খাওয়ার সুযোগও কম। বাজারগুলোতে ছোট দানার মসুর ডাল ১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, মোটা মসুর ডাল ১১০ টাকা, মুগ ডাল ১৬০-১৮০ টাকা, খেসারির ডাল ১২০ টাকা, মাষকলাই বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা