প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৩ ১২:৩৮ পিএম
আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২৩ ১৩:৫০ পিএম
কবি ও গীতিকার শাহারুল ইসলাম সুজন। ছবি : সংগৃহীত
ইসলামী সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনে জনপ্রিয় কবি ও গীতিকার শাহারুল ইসলাম সুজন। কয়েক বছর ধরে সাহিত্য রচনার পাশাপাশি ইসলামী সংগীত নিয়ে কাজ করছেন তিনি। তরুণ এই গীতিকারের জন্ম সুন্দরবনের কোলঘেঁষা খুলনার কয়রা উপজেলার হলুদবুনিয়া গ্রামে। পিতা আকবর হোসেন ও মাতা শেফালি খাতুন। চার ভাই বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট।
ছোটবেলা থেকেই সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি তার আগ্রহ ছিল। প্রাথমিক, মাধ্যমিক শেষে উচ্চ মাধ্যমিকে এসে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের বিভিন্ন দৈনিকে ছড়া, কবিতা ও সংগীত লেখার মাধ্যমে পরিচিত হয়ে উঠেন। পাশাপাশি পিতার অনুপ্রেরণায় তিনি ইসলামী সংগীত লেখেন।
বর্তমানে তিনি ইসলামী সংগীত লেখাতেই বেশি সময় দিচ্ছেন। এ পর্যন্ত তার লেখা বেশকিছু সংগীত প্রকাশ পেয়েছে দেশসেরা নাশিদ গোষ্ঠী কলরব, হ্যাভেন টিউনসহ অন্যান্য শিল্পীগোষ্ঠীর জনপ্রিয় শিল্পীদের কণ্ঠে। যেগুলো দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তিনি সৃষ্টিকর্তা, নবী ও রাসূলের ভালোবাসা, প্রতিবাদ, মরমী, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কষ্ট ও অধিকার আদায়ের কথা ছন্দে ছন্দে ফুটিয়ে তোলেন।
তার প্রকাশিত সংগীতগুলোর মধ্যে আছে মিছে আশা, ক্ষণিকের জীবন, পথশিশু, অনাথ শিশু, এই সমাজের মানুষ, প্রেরণার আলো, বাবা হারানোর বেদনা, মা যে আমার নয়নমণি, শোনো প্রিয় আম্মু, খোকার ইবাদত, বার্তা নিয়ে সুমহান, এসেছে রমজান, বরকতের মাস, ঈদ মোবারক, ঈদের কুসুম, ত্যাগের ঈদ, লাল সবুজের স্বাধীনতা, আমি বাংলার সন্তান, বিজয়ীর মান প্রভৃতি। প্রতিটি সংগীতই শ্রোতামহলে জায়গা করে নিয়েছে।
এ পর্যন্ত তার ৩১টি গান মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে আরও ২৫টিরও বেশি। অপ্রকাশিত গানগুলো মুক্তি পেলে সেগুলোও শ্রোতাদের মন জয় করবে বলে আশাবাদী গীতিকার শাহারুল।