প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৩ ১৬:৫৯ পিএম
রবিবার দুপুরে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে অংশীজনের সভা। প্রবা ফটো
অবকাঠামো উন্নয়ন হলেও জনবলের অভাব ও প্রয়োজনীয় অর্থের যোগাড় না থাকায় সাংস্কৃতিক কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে বিস্তৃত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।
রবিবার (১১ জুন) দুপুরে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে অংশীজনের সভায় তিনি এ কথা জানান। সভায় গণমাধ্যমের সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিবেদক, শিল্পকলার কর্মকর্তা ও বিভিন্ন জেলার জেলা কালচারাল অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।
লিয়াকত আলী লাকী জানান, শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রম জেলা পর্যায় পেরিয়ে উপজেলা পর্যায়ে বিস্তৃত করতে বিভিন্ন জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী একাডেমি, আঞ্চলিক একাডেমিসহ দেশের বিশিষ্ট কবি-সাহিত্যিকদের নামে সংস্কৃতিকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিকে বিকশিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত শিল্পকলা একাডেমি সংগীত, নৃত্য, নাটক, যাত্রাপালা, চলচ্চিত্রসহ শিল্পের বিভিন্ন মাধ্যমকে সংরক্ষণ ও প্রসারে কাজ করে চলেছে। আগামীতে আবৃত্তি, ফটোগ্রাফি, লোকসংস্কৃতি, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে একাডেমির সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
লিয়াকত আলী লাকী জানান, সারা দেশে ৪৪টি জেলায় শিল্পকলা ভবন নির্মাণের যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তারমধ্যে ১৫টি সম্পন্ন হয়েছে। সিরাজগঞ্জে আট কোটি টাকা ব্যয়ে ক্যাপ্টেন মনসুর আলী মিলনায়তন আধুনিকায়ন করছে শিল্পকলা একাডেমি। ২৫-৩০টি উপজেলায় শিল্পকলা একাডেমি নির্মাণে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
এ সময় শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেন, যতদিন শিল্পকলা একাডেমির ভবনগুলো নির্মাণ সম্পন্ন না হবে, ততদিন জেলা-উপজেলায় বিভিন্ন বাসা ভাড়া নিয়ে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হবে। এ কর্মকাণ্ডে ৪০০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে।
এ ছাড়া আগামী বছর থেকে বিভিন্ন উপজেলায় প্রয়োজনে অফিস ভাড়া করে কার্যক্রম শুরু করা হবে। আর সারা দেশে ২১ জন মনীষীর জন্মস্থানে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। উত্তরা, মিরপুরসহ ঢাকার পাঁচটি অঞ্চলে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করছে শিল্পকলা একাডেমি।