প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৩ ০১:১৪ এএম
আপডেট : ০৮ জুন ২০২৩ ১১:৫০ এএম
বুধবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির নাট্যশালার এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে নাটক ‘ভগবান পালিয়ে গেছে’র মঞ্চায়ন। প্রবা ফটো
পথচলার এক যুগ পূর্তিতে নাট্যদল বাতিঘর থিয়েটার বৃহস্পতিবার (৮ জুন) ঢাকার মঞ্চে আনছে নতুন নাটক ‘ভগবান পালিয়ে গেছে’।
নাটকটি প্রদর্শনীর মাধ্যমে বৃহস্পতিবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে শুরু হচ্ছে দুই দিনের উৎসব।
উৎসবের আগের দিন বুধবার (৭ জুন) সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির নাট্যশালার এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে নাটকটির মঞ্চায়ন হয়। বৃহস্পতি ও শুক্রবার সন্ধ্যায় একই ভেন্যুতে নাটকটির প্রদর্শনী হবে। দলের ১৬তম প্রযোজনাটি রচনার পাশাপাশি নির্দেশনা দিয়েছেন মুক্তনীল।
নাটকের বিভিন্ন অংশে উঠে এসেছে মানুষের মনের এক অসীম ক্ষমতার উৎস। সেই ক্ষমতাবলে মানুষ নিজ বিশ্বাসকে যেমন প্রশ্ন ছুড়ে দেয়, তেমনি অন্ধকারের অতলান্তিকে কোনো কালস্রোত প্রবল বেগে টলিয়ে দেয় তার প্রবল বিশ্বাসের ভিত।
প্রযোজনাটি প্রসঙ্গে নাট্যকার ও নির্দেশক মুক্তনীল বলেন, প্রতিটি মানুষের ভেতরে এক সত্তা রয়েছে। মানুষের বাহ্যিক আচরণের সঙ্গে সেই সত্তার প্রবল দ্বন্দ্ব চলে প্রতিনিয়ত। সেই চরম অনুভূতিশীল মানবিক সত্তা প্রতি মুহূর্তে আমাদের দেখে যাচ্ছে, তাকেই বলছি ভগবান। বিবেকের কণ্ঠস্বর হচ্ছে ভগবানের কণ্ঠস্বর। সেই বাস্তবতায় ‘ভগবান পালিয়ে গেছে’ কথাটি আক্ষরিক অর্থে ভগবানের পলায়ন নয়। এটা আমার আমির পলায়ন। দিনে দিনে আমরা সবাই আমাদের নিজস্ব সত্তা থেকে বিবেক ও মানবিকতাকে হারিয়ে ফেলছি।
প্রযোজনাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদ্দাম রহমান, ফয়সাল মাহমুদ, সঞ্জয় গোস্বামী, নুছরাত ইমাম বুলটি, ইয়াসির আরাফাত, সুইটি হোড়, সুমন স্মরণ, মৃধা অয়োমী প্রমুখ। পলাশ হেনড্রি সেনের আলোক পরিকল্পনায় মঞ্চ পরিকল্পনা করেছেন চারু পিন্টু। ফেরদৌসি আকতারের পোশাক পরিকল্পনায় কোরিওগ্রাফি করেছেন শিশির সরকার।
২০১১ সালের ১১ জুন যাত্রা করা বাতিঘর থিয়েটার বিভিন্ন সময় মঞ্চে এনেছে বিবিধ বিষয়নির্ভর ১৫টি প্রযোজনা।